ঢাকা ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষ: ৫ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ও ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। রবিবার সকাল ৮টার দিকে উদ্ধারকারী ট্রেন দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঢাকা মেইল ট্রেনটিকে সরিয়ে নেয় এবং লাইনে আটকে থাকা বাসটিকেও সরিয়ে নেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম বিভাগের রেল ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর থেকে বন্ধ থাকা রেল যোগাযোগ এখন সচল।

উল্লেখ্য, শনিবার দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার দিকে যাওয়া একটি মেইল ট্রেন কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দেয়। এই সংঘর্ষে বাসটি প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে ছিটকে যায়। দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ১২ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তবে তাদের মধ্যে মাত্র দু’জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।

দুর্ঘটনার পর থেকেই চট্টগ্রামের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আখাউড়া থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এসে উদ্ধার কাজে যোগ দেয়। উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং র্যা ব সদস্যরাও অংশ নেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওমান সাগরে ইরানি জাহাজে মার্কিন হামলা: মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ সংঘাতের আশঙ্কা

কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষ: ৫ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

আপডেট সময় : ১১:০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ও ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। রবিবার সকাল ৮টার দিকে উদ্ধারকারী ট্রেন দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঢাকা মেইল ট্রেনটিকে সরিয়ে নেয় এবং লাইনে আটকে থাকা বাসটিকেও সরিয়ে নেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম বিভাগের রেল ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর থেকে বন্ধ থাকা রেল যোগাযোগ এখন সচল।

উল্লেখ্য, শনিবার দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার দিকে যাওয়া একটি মেইল ট্রেন কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দেয়। এই সংঘর্ষে বাসটি প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে ছিটকে যায়। দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ১২ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তবে তাদের মধ্যে মাত্র দু’জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।

দুর্ঘটনার পর থেকেই চট্টগ্রামের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আখাউড়া থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এসে উদ্ধার কাজে যোগ দেয়। উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং র্যা ব সদস্যরাও অংশ নেন।