ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

তিন দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি শুরু

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২২:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

দশম গ্রেডে বেতনসহ তিন দফা দাবিতে ফের আন্দোলনে নেমেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। শনিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন তারা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছে ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’।

অবস্থান কর্মসূচিতে রয়েছেন– বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (কাসেম-শাহীন) সভাপতি প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাসেম; বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (শাহিন-লিপি) সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপি, বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. শামছুদ্দিন মাসুদ, অন্যতম সমন্বয়ক মোহাম্মদ আনোয়ার উল্যা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রাথমিক শিক্ষকরা।

প্রথমিকের শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি চলছে

তারা জানান, পুলিশের উপ-পরিদর্শক, নার্স, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদ সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা দশম গ্রেডে বেতন-ভাতা পান। সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা দীর্ঘদিন লড়াই করেও ১১তম গ্রেড পাননি। তাই এখন দশম গ্রেড নির্ধারণসহ তিন দফা দাবি আদায়ে মাঠে নামছেন শিক্ষকরা।

শিক্ষকরা বলেন, কয়েক দফা আন্দোলনের পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ১১তম গ্রেড বাস্তবায়নের আশ্বাস দেয়। সে অনুযায়ী গত ৭ আগস্ট অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠায়। অর্থ মন্ত্রণালয় তা বাস্তবায়ন না করে পাঠায় নব-গঠিত পে-কমিশনে। কিন্তু দুই মাস পার হলেও দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় শিক্ষকরা পে-কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে পে-কমিশন জানিয়ে দেয়, শিক্ষকদের গ্রেড পরিবর্তনের কাজ পে-কমিশনের এখতিয়ারভুক্ত নয়, এটা সার্ভিস কমিশনের কাজ। পে-কমিশনের অপারগতার পর শিক্ষকরা আবারও তাদের দাবি দশম গ্রেডে ফিরে যান এবং তা বাস্তবায়নে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

শিক্ষকদের তিন দফা দাবি হলো– সহকারী শিক্ষকদের দশম গ্রেড দেওয়া; ১০ বছর ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড দেওয়া সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান; শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির নিশ্চয়তা।

গত ১৭ অক্টোবর থেকে শিক্ষকদের আমরণ অনশন কর্মসূচি ছিল। কিন্তু শিক্ষকদের একটি অংশ হঠাৎ করে কর্মসূচি স্থগিত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এশীয় ফুটবলে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক অভিষেকের সামনে শক্তিশালী চীন

তিন দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি শুরু

আপডেট সময় : ১১:২২:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

দশম গ্রেডে বেতনসহ তিন দফা দাবিতে ফের আন্দোলনে নেমেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। শনিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন তারা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছে ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’।

অবস্থান কর্মসূচিতে রয়েছেন– বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (কাসেম-শাহীন) সভাপতি প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাসেম; বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (শাহিন-লিপি) সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপি, বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. শামছুদ্দিন মাসুদ, অন্যতম সমন্বয়ক মোহাম্মদ আনোয়ার উল্যা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রাথমিক শিক্ষকরা।

প্রথমিকের শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি চলছে

তারা জানান, পুলিশের উপ-পরিদর্শক, নার্স, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদ সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা দশম গ্রেডে বেতন-ভাতা পান। সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা দীর্ঘদিন লড়াই করেও ১১তম গ্রেড পাননি। তাই এখন দশম গ্রেড নির্ধারণসহ তিন দফা দাবি আদায়ে মাঠে নামছেন শিক্ষকরা।

শিক্ষকরা বলেন, কয়েক দফা আন্দোলনের পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ১১তম গ্রেড বাস্তবায়নের আশ্বাস দেয়। সে অনুযায়ী গত ৭ আগস্ট অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠায়। অর্থ মন্ত্রণালয় তা বাস্তবায়ন না করে পাঠায় নব-গঠিত পে-কমিশনে। কিন্তু দুই মাস পার হলেও দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় শিক্ষকরা পে-কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে পে-কমিশন জানিয়ে দেয়, শিক্ষকদের গ্রেড পরিবর্তনের কাজ পে-কমিশনের এখতিয়ারভুক্ত নয়, এটা সার্ভিস কমিশনের কাজ। পে-কমিশনের অপারগতার পর শিক্ষকরা আবারও তাদের দাবি দশম গ্রেডে ফিরে যান এবং তা বাস্তবায়নে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

শিক্ষকদের তিন দফা দাবি হলো– সহকারী শিক্ষকদের দশম গ্রেড দেওয়া; ১০ বছর ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড দেওয়া সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান; শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির নিশ্চয়তা।

গত ১৭ অক্টোবর থেকে শিক্ষকদের আমরণ অনশন কর্মসূচি ছিল। কিন্তু শিক্ষকদের একটি অংশ হঠাৎ করে কর্মসূচি স্থগিত করেন।