ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

নদী ও খাল খনন প্রকল্পে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৩:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে নদী ও খাল পুনরুজ্জীবনের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই সব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে যেকোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা দায়িত্বে অবহেলা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার কুশিয়ারা নদীমুখী নাটিকলা খাল পুনঃখনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দখল ও ভরাটের কারণে দেশের বহু জলধারা আজ মৃতপ্রায়। এর ফলে কৃষি ও মৎস্য সম্পদের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে।

হুমায়ুন কবির আরও উল্লেখ করেন, পরিকল্পিতভাবে খাল খননের ফলে সেচ সুবিধা বাড়বে এবং কৃষকরা অধিক ফসল উৎপাদন করতে সক্ষম হবেন। এর ফলে একদিকে যেমন জলাবদ্ধতা দূর হবে, অন্যদিকে মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেবে না জার্মানি: চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস

নদী ও খাল খনন প্রকল্পে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির

আপডেট সময় : ১২:৫৩:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে নদী ও খাল পুনরুজ্জীবনের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই সব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে যেকোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা দায়িত্বে অবহেলা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার কুশিয়ারা নদীমুখী নাটিকলা খাল পুনঃখনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দখল ও ভরাটের কারণে দেশের বহু জলধারা আজ মৃতপ্রায়। এর ফলে কৃষি ও মৎস্য সম্পদের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে।

হুমায়ুন কবির আরও উল্লেখ করেন, পরিকল্পিতভাবে খাল খননের ফলে সেচ সুবিধা বাড়বে এবং কৃষকরা অধিক ফসল উৎপাদন করতে সক্ষম হবেন। এর ফলে একদিকে যেমন জলাবদ্ধতা দূর হবে, অন্যদিকে মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।