ঢাকা ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা: মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি এক ধাক্কায় ৬০ শতাংশ হ্রাস

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৫:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনার প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি তেল রপ্তানিতে বড় ধরনের ধস নেমেছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে পড়ায় এই অঞ্চল থেকে তেলের সরবরাহ অন্তত ৬০ শতাংশ কমে গেছে। ফলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জ্বালানি বিষয়ক তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে সৌদি আরব, কুয়েত, ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আটটি দেশ থেকে তেল রপ্তানি দৈনিক ৯ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ব্যারেলে নেমে এসেছে। অথচ গত ফেব্রুয়ারি মাসেও এই দেশগুলো থেকে দৈনিক গড়ে ২৫ দশমিক ১৩ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি হতো। সরবরাহ বন্ধ থাকায় সাগরে তেলের ভাসমান মজুত ১০ মিলিয়ন থেকে বেড়ে বর্তমানে ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল ছাড়িয়ে গেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, হরমুজ প্রণালির এই সংকট যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ভয়াবহ অস্থিরতা তৈরি হবে। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলোর অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষের জন্য তেলের দাম নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেবে না জার্মানি: চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস

হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা: মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি এক ধাক্কায় ৬০ শতাংশ হ্রাস

আপডেট সময় : ০১:৫৫:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনার প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি তেল রপ্তানিতে বড় ধরনের ধস নেমেছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে পড়ায় এই অঞ্চল থেকে তেলের সরবরাহ অন্তত ৬০ শতাংশ কমে গেছে। ফলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জ্বালানি বিষয়ক তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে সৌদি আরব, কুয়েত, ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আটটি দেশ থেকে তেল রপ্তানি দৈনিক ৯ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ব্যারেলে নেমে এসেছে। অথচ গত ফেব্রুয়ারি মাসেও এই দেশগুলো থেকে দৈনিক গড়ে ২৫ দশমিক ১৩ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি হতো। সরবরাহ বন্ধ থাকায় সাগরে তেলের ভাসমান মজুত ১০ মিলিয়ন থেকে বেড়ে বর্তমানে ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল ছাড়িয়ে গেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, হরমুজ প্রণালির এই সংকট যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ভয়াবহ অস্থিরতা তৈরি হবে। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলোর অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষের জন্য তেলের দাম নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।