ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেবে না জার্মানি: চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৭:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য কোনো সামরিক অভিযানে জার্মানি অংশ নেবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস। সোমবার বার্লিনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জার্মানির এই কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

চ্যান্সেলর মের্ৎস জানান, জার্মানির বর্তমান সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ন্যাটোর অনুমোদন ব্যতীত এ ধরনের কোনো যুদ্ধে জড়ানোর সুযোগ নেই। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত ন্যাটোর আওতাভুক্ত কোনো বিষয় নয়। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল এই যুদ্ধ শুরুর আগে জার্মানির সাথে কোনো আলোচনা করেনি এবং সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে কোনো যৌথ সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়নি।

জার্মানির এই সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন। তাদের মতে, বার্লিনের এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে থাকা অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যকে সামনে নিয়ে এসেছে, যা বৈশ্বিক কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেবে না জার্মানি: চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেবে না জার্মানি: চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস

আপডেট সময় : ০২:৫৭:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য কোনো সামরিক অভিযানে জার্মানি অংশ নেবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস। সোমবার বার্লিনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জার্মানির এই কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

চ্যান্সেলর মের্ৎস জানান, জার্মানির বর্তমান সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ন্যাটোর অনুমোদন ব্যতীত এ ধরনের কোনো যুদ্ধে জড়ানোর সুযোগ নেই। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত ন্যাটোর আওতাভুক্ত কোনো বিষয় নয়। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল এই যুদ্ধ শুরুর আগে জার্মানির সাথে কোনো আলোচনা করেনি এবং সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে কোনো যৌথ সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়নি।

জার্মানির এই সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন। তাদের মতে, বার্লিনের এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে থাকা অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যকে সামনে নিয়ে এসেছে, যা বৈশ্বিক কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।