ঢাকা ১২:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

ঈদ পোশাকে শিশুদের মন জয়: নকশার বৈচিত্র্য ও আরামের প্রাধান্য

ঈদ মানেই শিশুদের কাছে এক বাঁধভাঙা আনন্দ আর অফুরন্ত উচ্ছ্বাস। নতুন পোশাকে সেজে প্রিয়জনদের দেখানো, হইচই করে ছোটাছুটি করা এবং পরিবার ও বন্ধুদের সাথে ঘুরে বেড়ানোর মধ্য দিয়ে শিশুদের ঈদ উদযাপন যেন বড়দের চেয়েও বেশি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এই বিশেষ উৎসবকে সামনে রেখে প্রতি বছরই পোশাক ব্যবসায়ীরা শিশুদের জন্য আকর্ষণীয় ও আরামদায়ক পোশাক তৈরিতে বিশেষ মনোযোগ দেন।

এবারের ঈদে গরমের কথা মাথায় রেখে শিশুদের পোশাকে রঙ ও কাপড়ের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। মেয়ে শিশুদের জন্য উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত রঙের পোশাকের প্রাধান্য দেখা যাচ্ছে, যা তাদের উৎসবের আমেজে আরও নতুনত্ব যোগ করছে। অন্যদিকে, ছেলে শিশুদের ঈদ পোশাকে নীল, ধূসর ও বাদামি রঙের ব্যবহার বেশি চোখে পড়ছে। আরামদায়ক সুতি ও ভিসকস কাপড় ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে ছেলেদের শার্ট ও পাঞ্জাবি। বাজারে কটিসহ পাঞ্জাবির চাহিদাও বেশ লক্ষণীয়।

রাজধানীর বিভিন্ন বিপণিবিতান ঘুরে দেখা গেছে, মেয়ে শিশুদের ঈদ সংগ্রহে সালোয়ার-কামিজ, ফ্রক, টিউনিক, ঘাগরা-চোলি, ওয়ান-পিস, টু-পিস ও থ্রি-পিস স্যুট, সারারা, খাটো কামিজ, ফারসি এবং লেহেঙ্গা ধাঁচের স্কার্টের ব্যাপক সমাহার রয়েছে। অনেক মেয়ে শিশুই সালোয়ার-কামিজ এবং ঘাগরা-চোলির প্রতি বিশেষ আগ্রহ দেখাচ্ছে বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন। ক্রেতারা বলছেন, এ বছর শিশুদের পোশাকের সংগ্রহ বেশ ভালো এবং পোশাকে বৈচিত্র্যও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলো ছেলে শিশুদের জন্য সুতি, আদ্দি ও সিল্ক কাপড়ের বাহারি পাঞ্জাবি নিয়ে এসেছে। গ্রামবাংলার লোকজ মোটিফ, লতাপাতা আর জ্যামিতিক কারুকাজ তাদের নকশায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। স্ক্রিনপ্রিন্ট ও হাতের কাজের তৈরি পাঞ্জাবিগুলো ছোটদের ঈদ লুকে এক বিশেষ মাত্রা যোগ করবে বলে বিক্রেতারা মনে করছেন। এই বছর নীল, সবুজ, হলুদ ও মেরুন রঙ শিশুদের পোশাকে বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে দিনাজপুরে প্রধানমন্ত্রী

ঈদ পোশাকে শিশুদের মন জয়: নকশার বৈচিত্র্য ও আরামের প্রাধান্য

আপডেট সময় : ১০:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

ঈদ মানেই শিশুদের কাছে এক বাঁধভাঙা আনন্দ আর অফুরন্ত উচ্ছ্বাস। নতুন পোশাকে সেজে প্রিয়জনদের দেখানো, হইচই করে ছোটাছুটি করা এবং পরিবার ও বন্ধুদের সাথে ঘুরে বেড়ানোর মধ্য দিয়ে শিশুদের ঈদ উদযাপন যেন বড়দের চেয়েও বেশি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এই বিশেষ উৎসবকে সামনে রেখে প্রতি বছরই পোশাক ব্যবসায়ীরা শিশুদের জন্য আকর্ষণীয় ও আরামদায়ক পোশাক তৈরিতে বিশেষ মনোযোগ দেন।

এবারের ঈদে গরমের কথা মাথায় রেখে শিশুদের পোশাকে রঙ ও কাপড়ের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। মেয়ে শিশুদের জন্য উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত রঙের পোশাকের প্রাধান্য দেখা যাচ্ছে, যা তাদের উৎসবের আমেজে আরও নতুনত্ব যোগ করছে। অন্যদিকে, ছেলে শিশুদের ঈদ পোশাকে নীল, ধূসর ও বাদামি রঙের ব্যবহার বেশি চোখে পড়ছে। আরামদায়ক সুতি ও ভিসকস কাপড় ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে ছেলেদের শার্ট ও পাঞ্জাবি। বাজারে কটিসহ পাঞ্জাবির চাহিদাও বেশ লক্ষণীয়।

রাজধানীর বিভিন্ন বিপণিবিতান ঘুরে দেখা গেছে, মেয়ে শিশুদের ঈদ সংগ্রহে সালোয়ার-কামিজ, ফ্রক, টিউনিক, ঘাগরা-চোলি, ওয়ান-পিস, টু-পিস ও থ্রি-পিস স্যুট, সারারা, খাটো কামিজ, ফারসি এবং লেহেঙ্গা ধাঁচের স্কার্টের ব্যাপক সমাহার রয়েছে। অনেক মেয়ে শিশুই সালোয়ার-কামিজ এবং ঘাগরা-চোলির প্রতি বিশেষ আগ্রহ দেখাচ্ছে বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন। ক্রেতারা বলছেন, এ বছর শিশুদের পোশাকের সংগ্রহ বেশ ভালো এবং পোশাকে বৈচিত্র্যও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলো ছেলে শিশুদের জন্য সুতি, আদ্দি ও সিল্ক কাপড়ের বাহারি পাঞ্জাবি নিয়ে এসেছে। গ্রামবাংলার লোকজ মোটিফ, লতাপাতা আর জ্যামিতিক কারুকাজ তাদের নকশায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। স্ক্রিনপ্রিন্ট ও হাতের কাজের তৈরি পাঞ্জাবিগুলো ছোটদের ঈদ লুকে এক বিশেষ মাত্রা যোগ করবে বলে বিক্রেতারা মনে করছেন। এই বছর নীল, সবুজ, হলুদ ও মেরুন রঙ শিশুদের পোশাকে বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে।