ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামে স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যার পর সন্তানসহ স্বামীর আত্মসমর্পণ

চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রীকে নির্মমভাবে হত্যার পর ছোট সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন ঘাতক স্বামী। এই ঘটনা শনিবার বিকেলে পতেঙ্গা থানার ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাড়া এলাকায় ঘটে, যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত গৃহবধূর নাম হালিমা আক্তার। তার স্বামী জহিরুল ইসলাম, যার স্থায়ী ঠিকানা লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায়। প্রায় এক মাস ধরে জহিরুল ও হালিমার দাম্পত্য জীবনে তীব্র কলহ চলছিল। ঘটনার দিন ইফতারের কিছুক্ষণ আগে পারিবারিক একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে চরম বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে জহিরুল দুটি ইট দিয়ে হালিমার মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত স্বামী জহিরুল ইসলাম তার ছোট শিশুকে নিয়ে সরাসরি পতেঙ্গা থানায় উপস্থিত হয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পন করেন। পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মা নুর নাহার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্ত জহিরুলকে আজ চট্টগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলের পুলিশ সদর দপ্তর ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্রে হামলার দাবি ইরানের

চট্টগ্রামে স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যার পর সন্তানসহ স্বামীর আত্মসমর্পণ

আপডেট সময় : ০৪:২৪:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রীকে নির্মমভাবে হত্যার পর ছোট সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন ঘাতক স্বামী। এই ঘটনা শনিবার বিকেলে পতেঙ্গা থানার ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাড়া এলাকায় ঘটে, যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত গৃহবধূর নাম হালিমা আক্তার। তার স্বামী জহিরুল ইসলাম, যার স্থায়ী ঠিকানা লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায়। প্রায় এক মাস ধরে জহিরুল ও হালিমার দাম্পত্য জীবনে তীব্র কলহ চলছিল। ঘটনার দিন ইফতারের কিছুক্ষণ আগে পারিবারিক একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে চরম বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে জহিরুল দুটি ইট দিয়ে হালিমার মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত স্বামী জহিরুল ইসলাম তার ছোট শিশুকে নিয়ে সরাসরি পতেঙ্গা থানায় উপস্থিত হয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পন করেন। পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মা নুর নাহার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্ত জহিরুলকে আজ চট্টগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়েছে।