জুলাই সনদ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার সমাধান জাতীয় সংসদেই করতে চায় বিরোধীদল। তবে, যদি সংসদে এই সমস্যার সুরাহা না হয়, তাহলে রাজপথে আন্দোলনের পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রবিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশন শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এই অবস্থান ব্যক্ত করেন। জামায়াত আমির বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশনের বিষয়ে তারা সংসদে নোটিশ দেবেন এবং এর সমাধান সংসদের অভ্যন্তরেই চাইবেন। তিনি জোর দেন যে, যদি জনগণের এই প্রত্যাশা সংসদে পূরণ না হয়, তবে স্বাভাবিকভাবেই তাদের রাজপথে আন্দোলনের পথে যেতে হবে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, তারা এই পরিস্থিতি চান না এবং যেহেতু স্পিকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নোটিশ দিতে বলেছেন, তাই সংসদীয় প্রক্রিয়াতেই এর সমাধান হওয়া উচিত।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তারা এই বিষয়টি কার্যউপদেষ্টা কমিটির বিষয় বলে মনে করেন না, বরং এটি সংসদের নিজস্ব বিষয় এবং সেখানেই এর সমাধান হওয়া উচিত। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংবিধানের মূল কাঠামোয় ২০২৬ সালের ভোটের বিধান ছিল না। তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, সরকার যদি প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডারের এক অংশ (যা সংবিধানের বাইরে) মেনে নেয়, তবে গণভোটের রায় (যা সংস্কারের পক্ষে ছিল) কেন মানবে না।
বিরোধীদলীয় নেতা ‘পাবলিক ওপিনিয়ন, সুপ্রিম কনস্টিটিউশন’ নীতি উল্লেখ করে বলেন, গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় এসেছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, গণভোটের দাবি সরকার ও বিরোধীদল উভয় পক্ষেরই ছিল, যদিও এর সময়কাল নিয়ে ভিন্নমত ছিল। তাদের দাবি ছিল আগে হোক, আর সরকারের দাবি ছিল একই দিনে হোক, এবং তাদের দাবিই বাস্তবায়ন হয়েছে। এর আগে, পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী ৩০ পঞ্জিকা দিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিষয়টি উত্থাপন করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























