ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

সংসদীয় রাজনীতি ও দলীয় ব্যবস্থাপনায় অনভিজ্ঞতার সংকটে জামায়াতে ইসলামী

দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রথমবারের মতো প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে গিয়ে নানামুখী অনভিজ্ঞতার মুখে পড়েছে জামায়াতে ইসলামী। বিশেষ করে নির্বাচনী প্রচারণায় নারীনীতি সংক্রান্ত অস্পষ্টতা এবং নারীদের জন্য মাত্র পাঁচ ঘণ্টার কর্মঘণ্টার প্রস্তাবটি ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বাস্তবতার সাথে সঙ্গতিহীন এমন প্রস্তাব নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দলটির অপরিপক্বতাকেই ফুটিয়ে তুলেছে।

নির্বাচনকালীন অব্যবস্থাপনার চিত্রও ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেক কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে, এমনকি ভোট গণনার সময়ও অনেক স্থানে তাদের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। এর বাইরে বিতর্কিত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ এবং পরবর্তীতে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে তদবিরের অভিযোগ দলটির ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। বিশেষ করে পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ও কনসালট্যান্ট নিয়োগের ক্ষেত্রে অদূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছে দলটি।

বর্তমানে ৬৮ জন সংসদ সদস্য নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করতে গিয়ে জামায়াত কোনো ধরনের সংকটে পড়বে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। দলের ভেতরেও ডেপুটি স্পিকারের পদ গ্রহণসহ বিভিন্ন বিষয়ে নেতাদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। সুশৃঙ্খল দল হিসেবে পরিচিতি থাকলেও সঠিক স্থানে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনে জামায়াতের বর্তমান অদক্ষতা তাদের ভবিষ্যৎ সংসদীয় কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মেট্রোরেলে উচ্চপদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদনের সুযোগ ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত

সংসদীয় রাজনীতি ও দলীয় ব্যবস্থাপনায় অনভিজ্ঞতার সংকটে জামায়াতে ইসলামী

আপডেট সময় : ১০:১৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রথমবারের মতো প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে গিয়ে নানামুখী অনভিজ্ঞতার মুখে পড়েছে জামায়াতে ইসলামী। বিশেষ করে নির্বাচনী প্রচারণায় নারীনীতি সংক্রান্ত অস্পষ্টতা এবং নারীদের জন্য মাত্র পাঁচ ঘণ্টার কর্মঘণ্টার প্রস্তাবটি ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বাস্তবতার সাথে সঙ্গতিহীন এমন প্রস্তাব নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দলটির অপরিপক্বতাকেই ফুটিয়ে তুলেছে।

নির্বাচনকালীন অব্যবস্থাপনার চিত্রও ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেক কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে, এমনকি ভোট গণনার সময়ও অনেক স্থানে তাদের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। এর বাইরে বিতর্কিত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ এবং পরবর্তীতে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে তদবিরের অভিযোগ দলটির ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। বিশেষ করে পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ও কনসালট্যান্ট নিয়োগের ক্ষেত্রে অদূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছে দলটি।

বর্তমানে ৬৮ জন সংসদ সদস্য নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করতে গিয়ে জামায়াত কোনো ধরনের সংকটে পড়বে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। দলের ভেতরেও ডেপুটি স্পিকারের পদ গ্রহণসহ বিভিন্ন বিষয়ে নেতাদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। সুশৃঙ্খল দল হিসেবে পরিচিতি থাকলেও সঠিক স্থানে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনে জামায়াতের বর্তমান অদক্ষতা তাদের ভবিষ্যৎ সংসদীয় কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।