দেশের গর্বিত বাহিনীকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে পিলখানায় ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ড ছিল একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। এমন মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, এই বিদ্রোহের মধ্য দিয়েই দেশে খুনের রাজনীতির সূচনা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে অব্যাহত ছিল। তিনি বিশ্বাস করেন যে এই ষড়যন্ত্রের পেছনের মূল কারণ তারা উপলদ্ধি করতে পারেন এবং ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে এর সঠিক প্রতিকার করার আশাও ব্যক্ত করেন।
রাজধানীর একটি হোটেলে ‘পিলখানা হত্যাকাণ্ড এবং জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবারের সম্মানে’ আয়োজিত এক ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন। ‘নেক্সাস ডিফেন্স অ্যান্ড জাস্টিস’ নামের একটি সংগঠন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পিলখানায় মেধাবী সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার মাধ্যমে দেশের প্রতিরক্ষা ও সার্বভৌমত্বকে আঘাত করা হয়েছিল। পিলখানার বীরেরা পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও তাদের আত্মত্যাগ দেশবাসীকে ব্যথিত করেছে এবং বিশ্বজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই ঘটনার পরও দেশে বিচারিক ও বিচারবহির্ভূত হত্যার মাধ্যমে অনেক প্রিয় নেতাকে হারানো হয়েছে। তিনি নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। একইসাথে শাপলা চত্বরে আলেম-ওলামাদের ওপর চালানো নির্মমতার কথাও স্মরণ করেন এবং নিহতদের জীবন নিয়ে উপহাস করার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন, এমন ঘটনা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল।
জামায়াত আমির পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে ইতিহাসের এক নজিরবিহীন ঘটনা আখ্যা দিয়ে বলেন যে, ঘটনার আসল রহস্য লুকাতে ভুক্তভোগীদেরই দোষী সাব্যস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তিনি জানান, জামায়াত ক্ষমতায় এলে এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত বিচার নিশ্চিত করবে। তিনি আরও বলেন, জাতি এখন প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে মুক্তি চায় এবং নাগরিক অধিকার নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বাঁচতে চায়। দেশের সকল মানুষের প্রতি তাদের একই প্রতিশ্রুতি রয়েছে বলে তিনি জানান।
রিপোর্টারের নাম 

























