হাতিয়ায় লঞ্চে দ্বাদশ শ্রেণির এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলা সদরে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ মিছিলে অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
জানা যায়, গত ৮ মার্চ রোববার হাতিয়ার তমুরদ্দিন লঞ্চঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাওয়া ‘ফারহান-০৪’ লঞ্চের ৩২৮ নম্বর কেবিনে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। লঞ্চ ছাড়ার কিছু সময় পর মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিন ও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান মিঠু নামে দুই ব্যক্তি কৌশলে ওই ছাত্রীর কেবিনে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে সাকিব উদ্দিন তাকে কুপ্রস্তাব দিলে ছাত্রী রাজি হননি। এরপর অভিযুক্তরা তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং ঘটনা প্রকাশ করলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পরে রাত ৮টার দিকে তারা আবারও কেবিনে প্রবেশ করে তাকে দ্বিতীয়বার ধর্ষণ করে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ধর্ষণের শিকার ওই শিক্ষার্থী বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে সোমবার সকালে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই কোতোয়ালি থানা পুলিশ অভিযুক্ত সাকিব উদ্দিন ও নুরুজ্জামান মিঠুকে গ্রেপ্তার করে।
এদিকে, ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হাতিয়া উপজেলা সদরে বিএনপি এবং স্থানীয় যুব শক্তি ও ছাত্র শক্তির ব্যানারে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিল চলাকালে উভয় পক্ষের কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে হাতিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ইলিয়াস, পৌরসভা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম দুখু, পৌরসভা যুবদল নেতা আশিক, সাখাওয়াত হোসেন হিরোসহ অন্তত ৭ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে হাতিয়া উপজেলা যুব শক্তির আহ্বায়ক ইউসুফ রেজা, ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক নেয়ামত উল্লাহ নীরব এবং সমর্থক জহির উদ্দিনও রয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
রিপোর্টারের নাম 























