মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত আলমগীর হাওলাদার হত্যাকাণ্ডের পর সৃষ্ট উত্তেজনার মাঝে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক। বুধবার (১১ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার নতুন মাদারীপুর এলাকায় নিহত আলমগীরের বাড়ি এবং ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি ঘুরে দেখেন তিনি। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বোচ্চ আইনি সহায়তার আশ্বাস দেন এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর পৌর শহরের ২ নং ওয়ার্ডের ‘নতুন মাদারীপুর’ এলাকার সাবেক পৌর কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান আক্তার হাওলাদার এবং একই এলাকার হাসান মুন্সীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরেই মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হাসান মুন্সীর পক্ষের লোকজন মনিরুজ্জামান আক্তারের সমর্থক ও চাচাতো ভাই আলমগীর হাওলাদারের ওপর সংঘবদ্ধ হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথেই আলমগীর মারা যান।
এই হত্যাকাণ্ডের পর মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উত্তেজিত জনতা অন্তত ৩০টি ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এলাকায় এখনো থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। এদিকে, র্যাব-৮ সাবেক কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান আক্তারকে আটক করেছে। তার বিরুদ্ধে বোমা বিস্ফোরণসহ একাধিক মামলার রেকর্ড রয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক সাংবাদিকদের বলেন, “আমার স্পষ্ট বার্তা হলো, যারা আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটাবে তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। পুলিশ সতর্ক অবস্থায় এলাকায় পাহারা দিচ্ছে এবং দোষীদের গ্রেপ্তারে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে।”
রিপোর্টারের নাম 





















