ঢাকা ০১:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে দেরি, ভাঙন রোধ ব্যাহত: পরিবেশমন্ত্রী

মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ না হওয়ায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ অঞ্চলে নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছে না। নদীর দুই তীরেই ভাঙনের তীব্রতা অব্যাহত রয়েছে। তবে, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে একনেক কমিটিতে মুছাপুর রেগুলেটর প্রকল্পটি পাস হবে এবং এর পরেই নির্মাণ কাজ শুরু করা যাবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে প্রস্তাবিত মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি আরও জানান, পানিসম্পদ মন্ত্রীর সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং তিনি সমস্যা সমাধানে কাজ শুরু করেছেন।

অনুষ্ঠানে পানিসম্পদমন্ত্রী শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, মুছাপুর রেগুলেটর শুধু একটি নির্দিষ্ট এলাকার সমস্যা নয়, বরং এটি পুরো নোয়াখালীর একটি জীবন মরণ সমস্যা। উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে বেঁচে আছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি অবহিত করেছেন এবং সরজমিনে পরিদর্শন করে রিপোর্ট প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইমামদের নেতৃত্বে ন্যায়-ইনসাফের সমাজ গড়ার আহ্বান মসজিদ মিশনের

মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে দেরি, ভাঙন রোধ ব্যাহত: পরিবেশমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:০৬:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ না হওয়ায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ অঞ্চলে নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছে না। নদীর দুই তীরেই ভাঙনের তীব্রতা অব্যাহত রয়েছে। তবে, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে একনেক কমিটিতে মুছাপুর রেগুলেটর প্রকল্পটি পাস হবে এবং এর পরেই নির্মাণ কাজ শুরু করা যাবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে প্রস্তাবিত মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি আরও জানান, পানিসম্পদ মন্ত্রীর সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং তিনি সমস্যা সমাধানে কাজ শুরু করেছেন।

অনুষ্ঠানে পানিসম্পদমন্ত্রী শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, মুছাপুর রেগুলেটর শুধু একটি নির্দিষ্ট এলাকার সমস্যা নয়, বরং এটি পুরো নোয়াখালীর একটি জীবন মরণ সমস্যা। উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে বেঁচে আছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি অবহিত করেছেন এবং সরজমিনে পরিদর্শন করে রিপোর্ট প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান।