ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা জালিয়াতি করে ৪৩ কোটি টাকা নিয়ে দুবাইয়ে, তদন্ত শুরু

নীলফামারীর সৈয়দপুরে অগ্রণী ব্যাংকের একটি শাখা থেকে প্রায় ৪৩ কোটি টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করে দুবাইয়ে পালিয়ে গেছেন ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হলেন ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তা আলিমুল আল রাজি তমাল, যিনি বর্তমানে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ দুবাইয়ে অবস্থান করছেন।

ব্যাংকের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ২০২৪ সালের শুরু থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তমাল তার সহকর্মীদের আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নিজের এবং কয়েকটি ভুয়া অ্যাকাউন্টে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ স্থানান্তর করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, এই প্রক্রিয়ায় কিছু সহকর্মী তাকে সহায়তা করেছেন, যাদের মধ্যে সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক আব্দুল লতিফের নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি সুবিধা নিয়েই তমালকে সহায়তা করেছেন।

তদারকি ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে শাখা ও জোনাল অফিস বিষয়টি দ্রুত শনাক্ত করতে পারেনি। তমাল নীলুফার আক্তার এবং রোদেল আক্তার নামে দুটি ভুয়া ‘সুপার সেভিংস অ্যাকাউন্ট’ ব্যবহার করেছেন, যেগুলোতে কোনো সঠিক পরিচয়পত্র বা ছবি ছিল না। এছাড়াও, তিনি নিজের এবং নিজের ছেলের খামারের অ্যাকাউন্টেও কোটি কোটি টাকা স্থানান্তর করেছেন বলে জানা গেছে।

অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, বিষয়টি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। রংপুর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ইতোমধ্যে এই জালিয়াতির বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইমামদের নেতৃত্বে ন্যায়-ইনসাফের সমাজ গড়ার আহ্বান মসজিদ মিশনের

অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা জালিয়াতি করে ৪৩ কোটি টাকা নিয়ে দুবাইয়ে, তদন্ত শুরু

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

নীলফামারীর সৈয়দপুরে অগ্রণী ব্যাংকের একটি শাখা থেকে প্রায় ৪৩ কোটি টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করে দুবাইয়ে পালিয়ে গেছেন ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হলেন ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তা আলিমুল আল রাজি তমাল, যিনি বর্তমানে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ দুবাইয়ে অবস্থান করছেন।

ব্যাংকের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ২০২৪ সালের শুরু থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তমাল তার সহকর্মীদের আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নিজের এবং কয়েকটি ভুয়া অ্যাকাউন্টে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ স্থানান্তর করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, এই প্রক্রিয়ায় কিছু সহকর্মী তাকে সহায়তা করেছেন, যাদের মধ্যে সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক আব্দুল লতিফের নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি সুবিধা নিয়েই তমালকে সহায়তা করেছেন।

তদারকি ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে শাখা ও জোনাল অফিস বিষয়টি দ্রুত শনাক্ত করতে পারেনি। তমাল নীলুফার আক্তার এবং রোদেল আক্তার নামে দুটি ভুয়া ‘সুপার সেভিংস অ্যাকাউন্ট’ ব্যবহার করেছেন, যেগুলোতে কোনো সঠিক পরিচয়পত্র বা ছবি ছিল না। এছাড়াও, তিনি নিজের এবং নিজের ছেলের খামারের অ্যাকাউন্টেও কোটি কোটি টাকা স্থানান্তর করেছেন বলে জানা গেছে।

অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, বিষয়টি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। রংপুর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ইতোমধ্যে এই জালিয়াতির বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে।