সংস্কৃতিতে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পেতে যাচ্ছেন নন্দিত নির্মাতা ও সঞ্চালক হানিফ সংকেত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) মো. হুমায়ুন কবিরের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এমন খবরে সংস্কৃতি অঙ্গনে বইছে স্বস্তির বাতাস। কারণ, বেশিরভাগ সময়ই এমন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিয়ে তৈরি হয় নানান বিতর্ক।
এদিকে এমন খবরে স্বস্তি ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন হানিফ সংকেত নিজেও। তিনি তার এই পুরস্কারটি উৎসর্গ করেছেন দর্শকদের উদ্দেশে।
হানিফ সংকেত বলেন, ‘এই অর্জন আমার একার নয়- যাদের ভালোবাসা, সমর্থন ও সহযোগিতায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আমার এই দীর্ঘ যাত্রা সম্ভব হয়েছে, এই অর্জন তাদের সবার। আজকের এই আনন্দের দিনে আমি তাদের সবার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এই পুরস্কার আমি আমার লক্ষ-কোটি দর্শকদের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি।’
হানিফ সংকেত বিশ্বাস করেন, সুস্থ সংস্কৃতিই পারে একটি সমাজকে আলোকিত করতে এবং দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে। সেই বিবেচনায় জনপ্রিয় এই সঞ্চালকের লক্ষ্য, ‘আমৃত্যু আমি সুস্থ সংস্কৃতির চর্চায় দেশের জন্য কাজ করে যেতে চাই। অতীতেও আমি যেমন দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও সেভাবে কাজ করে যাবো। এই পুরস্কার আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে আরও উৎসাহিত করবে।’
বলা দরকার, জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ বছর স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, পল্লী উন্নয়ন, সমাজসেবা, জনপ্রশাসন, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
এরমধ্যে সংস্কৃতিতে হানিফ সংকেত ছাড়াও এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন সংগীতশিল্পী বশির আহমেদ (মরণোত্তর)।
রিপোর্টারের নাম 

























