ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

বিয়ে বাড়িতে শোকের ছায়া, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কনের মায়ের মৃত্যু

বাড়িতে চলছে বিয়ের আয়োজন। আনন্দ-উৎসবের সেই ঘরে হঠাৎ নেমে এলো শোকের ছায়া। গোয়ালঘরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন কনের মা দীপিকা সানা।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার ঘুঘুমারি গ্রামে এ ঘটনা। দীপিকা স্থানীয় কৃষক দেবাশীষ সানার স্ত্রী।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীপিকা দুপুরের দিকে গরুর দুধ দোহাতে গোয়ালঘরে যান। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে থাকা বৈদ্যুতিক লাইনে ক্রুটি ছিল। সেটির সংস্পর্শে এসে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সেখানে পড়ে ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বুঝতে পেরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে দেখতে পান তিনি মারা গেছেন।

স্থানীয় সমাজকর্মী কৃষ্ণ ব্যানার্জী বলেন, বাড়িতে বিয়ের আয়োজন চলছিল। এমন সময়ে এ দুর্ঘটনা পুরো গ্রামকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, দীপিকা ও দেবাশীষ দম্পতির তিন সন্তান অভীক, অর্পিতা ও অর্ণব (৯)। দ্বিতীয় সন্তান অর্পিতার বিয়ে ঠিক হয়েছিল। বাড়িতে চলছিল শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। গতকাল ছিল গায়েহলুদের অনুষ্ঠান। বুধবার বিয়ের কথা ছিল। সেই বাড়িতে এমন ঘটনায় সবাই শোকাহত।

খাজরা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য স্থানীয় লোকজনের প্রতি আহ্বান জানান।

আশাশুনি থানার ওসি শামীম আহমেদ খান বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিকালে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের ৬ রুটে বিমানের ফ্লাইট স্থগিত: যাত্রীদের জন্য জরুরি বার্তা

বিয়ে বাড়িতে শোকের ছায়া, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কনের মায়ের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০১:৫২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

বাড়িতে চলছে বিয়ের আয়োজন। আনন্দ-উৎসবের সেই ঘরে হঠাৎ নেমে এলো শোকের ছায়া। গোয়ালঘরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন কনের মা দীপিকা সানা।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার ঘুঘুমারি গ্রামে এ ঘটনা। দীপিকা স্থানীয় কৃষক দেবাশীষ সানার স্ত্রী।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীপিকা দুপুরের দিকে গরুর দুধ দোহাতে গোয়ালঘরে যান। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে থাকা বৈদ্যুতিক লাইনে ক্রুটি ছিল। সেটির সংস্পর্শে এসে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সেখানে পড়ে ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বুঝতে পেরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে দেখতে পান তিনি মারা গেছেন।

স্থানীয় সমাজকর্মী কৃষ্ণ ব্যানার্জী বলেন, বাড়িতে বিয়ের আয়োজন চলছিল। এমন সময়ে এ দুর্ঘটনা পুরো গ্রামকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, দীপিকা ও দেবাশীষ দম্পতির তিন সন্তান অভীক, অর্পিতা ও অর্ণব (৯)। দ্বিতীয় সন্তান অর্পিতার বিয়ে ঠিক হয়েছিল। বাড়িতে চলছিল শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। গতকাল ছিল গায়েহলুদের অনুষ্ঠান। বুধবার বিয়ের কথা ছিল। সেই বাড়িতে এমন ঘটনায় সবাই শোকাহত।

খাজরা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য স্থানীয় লোকজনের প্রতি আহ্বান জানান।

আশাশুনি থানার ওসি শামীম আহমেদ খান বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিকালে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।