ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লার বুকে নতুন বিনোদন কেন্দ্র: ঈদে খুলছে ‘কে-স্ক্রিন’ সিনেপ্লেক্স

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার সিনেমাপ্রেমীদের জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে চলেছে। এবারই প্রথম এই জেলায় চালু হচ্ছে অত্যাধুনিক ‘কে-স্ক্রিন’ নামে একটি সিনেপ্লেক্স। প্রযোজক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা খোরশেদ আলম খসরুর নেতৃত্বে নির্মিত এই বিনোদন কেন্দ্রটি কুমিল্লার ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় অবস্থিত গোমতী শপিং সেন্টারের অষ্টম তলায় স্থাপন করা হয়েছে।

‘কে-স্ক্রিন’ সিনেপ্লেক্সে থাকছে দুটি পৃথক স্ক্রিন, যার একটিতে ২০০ জন এবং অন্যটিতে ২৫০ জন দর্শক একসঙ্গে সিনেমা উপভোগ করতে পারবেন। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এই সিনেপ্লেক্সকে বিশেষত্ব দান করেছে। প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু জানান, এখানে ব্যবহার করা হয়েছে উন্নতমানের ৮:১ সাউন্ড সিস্টেম এবং ডিসিপি প্রজেকশন, যা দর্শকদের একটি ভিন্ন মাত্রার সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা দেবে। পাশাপাশি, দর্শকদের জন্য রয়েছে একটি আধুনিক ফুড কোর্ট। প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সিনেপ্লেক্সটি জেলার বিনোদন জগতে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

খোরশেদ আলম খসরু তাঁর দীর্ঘদিনের চলচ্চিত্র জগতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “সিনেমার সঙ্গে আমার বসবাস দীর্ঘদিনের। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আমি সিনেমা প্রযোজনা ও পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত আছি। পাশাপাশি, বেশ কয়েকটি সিনেমা হল পরিচালনার অভিজ্ঞতাও রয়েছে আমার। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি বুঝি যে, বর্তমান দর্শক আর পুরনো, ভাঙাচোরা সিনেমা হলগুলোতে সিনেমা দেখতে আগ্রহী নন। দর্শকদের উন্নত মানের বিনোদন প্রদানের লক্ষ্যেই এই সিনেপ্লেক্সটি নির্মাণ করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “টিকিটের মূল্য দেশের অন্যান্য আধুনিক সিনেপ্লেক্সগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখা হবে। সিনেমা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে আমরা দেশীয় চলচ্চিত্রকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেব।”

উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকে শুধুমাত্র কুমিল্লা শহরেই ৬-৭টি সিনেমা হল সক্রিয় ছিল। সময়ের বিবর্তনে সেই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে, যা পুরো জেলা জুড়ে সিনেমা হল খুঁজে পাওয়াকে কঠিন করে তুলেছে। যদিও কয়েক বছর আগে স্টার সিনেপ্লেক্সের একটি শাখা খোলার ঘোষণা এসেছিল, তবে তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। এমতাবস্থায়, ‘কে-স্ক্রিন’ সিনেপ্লেক্সটি এই জেলার সিনেমাপ্রেমীদের জন্য একটি অন্যতম প্রধান বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হবে, এমনটিই প্রত্যাশিত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলা-ইংরেজির পাশাপাশি শিশুদের তৃতীয় ভাষা শেখানো হবে

কুমিল্লার বুকে নতুন বিনোদন কেন্দ্র: ঈদে খুলছে ‘কে-স্ক্রিন’ সিনেপ্লেক্স

আপডেট সময় : ০৮:২৭:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার সিনেমাপ্রেমীদের জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে চলেছে। এবারই প্রথম এই জেলায় চালু হচ্ছে অত্যাধুনিক ‘কে-স্ক্রিন’ নামে একটি সিনেপ্লেক্স। প্রযোজক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা খোরশেদ আলম খসরুর নেতৃত্বে নির্মিত এই বিনোদন কেন্দ্রটি কুমিল্লার ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় অবস্থিত গোমতী শপিং সেন্টারের অষ্টম তলায় স্থাপন করা হয়েছে।

‘কে-স্ক্রিন’ সিনেপ্লেক্সে থাকছে দুটি পৃথক স্ক্রিন, যার একটিতে ২০০ জন এবং অন্যটিতে ২৫০ জন দর্শক একসঙ্গে সিনেমা উপভোগ করতে পারবেন। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এই সিনেপ্লেক্সকে বিশেষত্ব দান করেছে। প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু জানান, এখানে ব্যবহার করা হয়েছে উন্নতমানের ৮:১ সাউন্ড সিস্টেম এবং ডিসিপি প্রজেকশন, যা দর্শকদের একটি ভিন্ন মাত্রার সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা দেবে। পাশাপাশি, দর্শকদের জন্য রয়েছে একটি আধুনিক ফুড কোর্ট। প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সিনেপ্লেক্সটি জেলার বিনোদন জগতে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

খোরশেদ আলম খসরু তাঁর দীর্ঘদিনের চলচ্চিত্র জগতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “সিনেমার সঙ্গে আমার বসবাস দীর্ঘদিনের। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আমি সিনেমা প্রযোজনা ও পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত আছি। পাশাপাশি, বেশ কয়েকটি সিনেমা হল পরিচালনার অভিজ্ঞতাও রয়েছে আমার। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি বুঝি যে, বর্তমান দর্শক আর পুরনো, ভাঙাচোরা সিনেমা হলগুলোতে সিনেমা দেখতে আগ্রহী নন। দর্শকদের উন্নত মানের বিনোদন প্রদানের লক্ষ্যেই এই সিনেপ্লেক্সটি নির্মাণ করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “টিকিটের মূল্য দেশের অন্যান্য আধুনিক সিনেপ্লেক্সগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখা হবে। সিনেমা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে আমরা দেশীয় চলচ্চিত্রকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেব।”

উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকে শুধুমাত্র কুমিল্লা শহরেই ৬-৭টি সিনেমা হল সক্রিয় ছিল। সময়ের বিবর্তনে সেই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে, যা পুরো জেলা জুড়ে সিনেমা হল খুঁজে পাওয়াকে কঠিন করে তুলেছে। যদিও কয়েক বছর আগে স্টার সিনেপ্লেক্সের একটি শাখা খোলার ঘোষণা এসেছিল, তবে তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। এমতাবস্থায়, ‘কে-স্ক্রিন’ সিনেপ্লেক্সটি এই জেলার সিনেমাপ্রেমীদের জন্য একটি অন্যতম প্রধান বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হবে, এমনটিই প্রত্যাশিত।