ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত: বিশ্বনেতাদের উদ্বেগ ও ভিন্ন প্রতিক্রিয়া

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৪:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কথিত হামলা এবং ইরানের পাল্টা জবাবের পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে এবং বিভিন্ন দেশ থেকে আসছে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া। সংঘাত যেন আরও না ছড়ায়, সেই লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মহল থেকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন ইরানের ‘হত্যাকারী শাসনব্যবস্থার’ বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পূর্বঘোষিত ‘ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা’র কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান। একই সাথে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক আইন সম্পূর্ণরূপে মেনে চলার ওপর জোর দেন তিনি।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির কার্যালয় ইরানের বেসামরিক জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়। উত্তেজনা প্রশমনে মিত্র ও আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে মেলোনি আলোচনা করবেন বলেও জানানো হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেছেন, তাঁর দেশ “দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামে সাহসী ইরানি জনগণের পাশে রয়েছে”। তিনি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার কথাও জানান।

তবে ভিন্ন সুর শোনা গেছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কণ্ঠে। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পদক্ষেপকে ‘বেপরোয়া’ আখ্যা দিয়ে এটিকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। মস্কো রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপায়ে সমস্যার সমাধানে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

এর আগে যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এক মুখপাত্র বলেছিলেন, তারা “বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে আরও উত্তেজনা” দেখতে চায় না। যুক্তরাজ্য নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় প্রস্তুত বলেও জানানো হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানজুড়ে মার্কিন-ইসরাইলি হামলার ব্যাপকতা: ২০ প্রদেশ ক্ষতিগ্রস্ত

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত: বিশ্বনেতাদের উদ্বেগ ও ভিন্ন প্রতিক্রিয়া

আপডেট সময় : ০৭:১৪:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কথিত হামলা এবং ইরানের পাল্টা জবাবের পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে এবং বিভিন্ন দেশ থেকে আসছে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া। সংঘাত যেন আরও না ছড়ায়, সেই লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মহল থেকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন ইরানের ‘হত্যাকারী শাসনব্যবস্থার’ বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পূর্বঘোষিত ‘ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা’র কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান। একই সাথে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক আইন সম্পূর্ণরূপে মেনে চলার ওপর জোর দেন তিনি।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির কার্যালয় ইরানের বেসামরিক জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়। উত্তেজনা প্রশমনে মিত্র ও আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে মেলোনি আলোচনা করবেন বলেও জানানো হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেছেন, তাঁর দেশ “দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামে সাহসী ইরানি জনগণের পাশে রয়েছে”। তিনি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার কথাও জানান।

তবে ভিন্ন সুর শোনা গেছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কণ্ঠে। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পদক্ষেপকে ‘বেপরোয়া’ আখ্যা দিয়ে এটিকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। মস্কো রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপায়ে সমস্যার সমাধানে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

এর আগে যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এক মুখপাত্র বলেছিলেন, তারা “বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে আরও উত্তেজনা” দেখতে চায় না। যুক্তরাজ্য নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় প্রস্তুত বলেও জানানো হয়।