ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা চুক্তিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সদস্যপদ স্থগিত বা বহিষ্কার করার কোনো বিধান নেই বলে জানিয়েছেন জোটের একজন কর্মকর্তা। সম্প্রতি এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, যুক্তরাষ্ট্র স্পেনকে লক্ষ্য করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বিবেচনা করেছিল। এই খবরের পরিপ্রেক্ষিতে ন্যাটো জোটের পক্ষ থেকে এমন বক্তব্য এসেছে।
জোটের একজন কর্মকর্তা আনাদোলুকে দেওয়া এক লিখিত বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা (ওয়াশিংটন) চুক্তিতে সদস্যপদ স্থগিত বা বহিষ্কারের কোনো বিধান নেই।’
যুক্তরাষ্ট্র স্পেনের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বিবেচনা করেছে—এমন প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই মন্তব্য আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, পেন্টাগনের একটি অভ্যন্তরীণ ইমেইলে এমন কিছু পদক্ষেপের কথা উল্লেখ ছিল, যা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে সমর্থন না দেওয়া মিত্রদের বিরুদ্ধে নেওয়া যেতে পারে, যার মধ্যে স্পেনও ছিল।
তবে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এসব প্রতিবেদনকে গুরুত্ব দেননি। তিনি বলেছেন, মাদ্রিদ তার নীতি অভ্যন্তরীণ চিঠিপত্রের পরিবর্তে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করে। গ্রিস-নিয়ন্ত্রিত সাইপ্রাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমরা ইমেইল নিয়ে কাজ করি না, আমরা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আনুষ্ঠানিক নথি ও অবস্থানের ভিত্তিতে কাজ করি।”
তিনি আরও জানান, ‘স্পেনের অবস্থান স্পষ্ট—মিত্রদের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা থাকবে, তবে তা সবসময় আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যেই।’
উল্লেখ্য, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের ঘাঁটি বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে স্পেন। এ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পেনসহ ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করেছেন এবং জোটে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা কমানোর ইঙ্গিতও দিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























