ঢাকা ০৪:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভূমিকম্পের আতঙ্কে করণীয়: বিশ্বনবী (সা.)-এর শেখানো শক্তিশালী দোয়া

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ভূমিকম্পের আতঙ্ক বাড়ছে, যা মানুষের মনে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় কীভাবে নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখা যায়, তা নিয়ে অনেকেই চিন্তিত থাকেন। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এমন বিপদের মুহূর্তে মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার এবং সুরক্ষা লাভের এক বিশেষ দোয়া শিখিয়েছেন। এই দোয়া পাঠের মাধ্যমে ভূমি ও আকাশের যাবতীয় বিপদ থেকে হেফাজত থাকার সুসংবাদ দিয়েছেন তিনি।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যেমন ভূমিকম্প, ঝড় বা মেঘের গর্জন—এগুলো মহান আল্লাহর অসীম শক্তির নিদর্শন। ইসলাম এসব ঘটনাকে কেবল প্রাকৃতিক বিষয় হিসেবেই দেখে না, বরং আল্লাহর পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা এবং বান্দার ঈমান পরীক্ষার উপলক্ষ হিসেবেও বিবেচনা করে। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে বারবার দুর্যোগের সময় আল্লাহর স্মরণ ও তাঁর সাহায্য প্রার্থনার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর উম্মতকে যেকোনো বিপদাপদ বা দুর্যোগে মহান আল্লাহর দিকে রুজু হতে এবং তাঁর কাছে সাহায্য চাইতে উৎসাহিত করেছেন। তিনি শিখিয়েছেন, বিপদ যত বড়ই হোক না কেন, আল্লাহর রহমত ও সাহায্যই একমাত্র ভরসা।

এমনি এক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে, বিশেষত ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে সুরক্ষা লাভের জন্য তিনি একটি অত্যন্ত কার্যকর দোয়া শিখিয়ে গেছেন। এই দোয়াটি নিয়মিত পাঠ করলে মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষকে ভূমি ও আকাশের সকল প্রকার বিপদাপদ থেকে রক্ষা করেন।

দোয়াটি হলো:
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল লাজি লা ইয়াদূর`রু মা`আস মিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামি`ই ওয়াহুয়া সামি`য়ুল আলিম।
অর্থ: “আল্লাহর নামে, যার নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো কিছু ক্ষতি করতে পারে না এবং তিনিই সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।”

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই দোয়াটি সকাল-সন্ধ্যা তিনবার পাঠ করবে, সে ভূমি ও আকাশের যেকোনো দুর্যোগ থেকে আল্লাহ তায়ালার হেফাজতে থাকবে। তাই, ভূমিকম্প বা যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় অস্থির না হয়ে, এই দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য জরুরি। এটি কেবল একটি দোয়া নয়, বরং মহান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও ভরসার এক শক্তিশালী প্রকাশ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় বাসচাপায় বাইক আরোহী যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু

ভূমিকম্পের আতঙ্কে করণীয়: বিশ্বনবী (সা.)-এর শেখানো শক্তিশালী দোয়া

আপডেট সময় : ০২:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ভূমিকম্পের আতঙ্ক বাড়ছে, যা মানুষের মনে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় কীভাবে নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখা যায়, তা নিয়ে অনেকেই চিন্তিত থাকেন। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এমন বিপদের মুহূর্তে মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার এবং সুরক্ষা লাভের এক বিশেষ দোয়া শিখিয়েছেন। এই দোয়া পাঠের মাধ্যমে ভূমি ও আকাশের যাবতীয় বিপদ থেকে হেফাজত থাকার সুসংবাদ দিয়েছেন তিনি।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যেমন ভূমিকম্প, ঝড় বা মেঘের গর্জন—এগুলো মহান আল্লাহর অসীম শক্তির নিদর্শন। ইসলাম এসব ঘটনাকে কেবল প্রাকৃতিক বিষয় হিসেবেই দেখে না, বরং আল্লাহর পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা এবং বান্দার ঈমান পরীক্ষার উপলক্ষ হিসেবেও বিবেচনা করে। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে বারবার দুর্যোগের সময় আল্লাহর স্মরণ ও তাঁর সাহায্য প্রার্থনার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর উম্মতকে যেকোনো বিপদাপদ বা দুর্যোগে মহান আল্লাহর দিকে রুজু হতে এবং তাঁর কাছে সাহায্য চাইতে উৎসাহিত করেছেন। তিনি শিখিয়েছেন, বিপদ যত বড়ই হোক না কেন, আল্লাহর রহমত ও সাহায্যই একমাত্র ভরসা।

এমনি এক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে, বিশেষত ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে সুরক্ষা লাভের জন্য তিনি একটি অত্যন্ত কার্যকর দোয়া শিখিয়ে গেছেন। এই দোয়াটি নিয়মিত পাঠ করলে মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষকে ভূমি ও আকাশের সকল প্রকার বিপদাপদ থেকে রক্ষা করেন।

দোয়াটি হলো:
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল লাজি লা ইয়াদূর`রু মা`আস মিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামি`ই ওয়াহুয়া সামি`য়ুল আলিম।
অর্থ: “আল্লাহর নামে, যার নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো কিছু ক্ষতি করতে পারে না এবং তিনিই সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।”

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই দোয়াটি সকাল-সন্ধ্যা তিনবার পাঠ করবে, সে ভূমি ও আকাশের যেকোনো দুর্যোগ থেকে আল্লাহ তায়ালার হেফাজতে থাকবে। তাই, ভূমিকম্প বা যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় অস্থির না হয়ে, এই দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য জরুরি। এটি কেবল একটি দোয়া নয়, বরং মহান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও ভরসার এক শক্তিশালী প্রকাশ।