ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌর এলাকার কাজী শামসুন্নেছা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এক নেতার বান্ধবীকে নিয়ে প্রবেশ করার জেরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এতে এসএসসি ব্যবহারিক পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টা দেরিতে শুরু করতে হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে ওই নেতার বান্ধবীকে সঙ্গে নিয়ে কাজী শামসুন্নেসা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। এসময় কিছু শিক্ষার্থী তাকে দেখে ‘ভুয়া, নেতা রেগে গেলেন’ বলে চিৎকার শুরু করে। এর প্রতিবাদ করতে গেলে সাজিদ, ইয়াসিন মোল্লা ও জিহাদের সাথে নেতার বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উপস্থিত অন্য শিক্ষার্থীরাও জড়িয়ে পড়ে। তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে পুরো বিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে বহিরাগত কিছু যুবকও এতে যোগ দেয় এবং ওই নেতা ও তার বান্ধবীকে অবরুদ্ধ করে রাখে।
আন্দোলনকারীরা দ্রুত ওই নেতাকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার দাবি জানায়। উত্তেজনার এক পর্যায়ে আশরাফ নামের ওই নেতার ওপর হামলা চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এগিয়ে আসা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ কুমার দত্তকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়ে মারা হয়, এতে তিনি আহত হন। এই ঘটনায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ নেতাকে হেফাজতে নেয়। এরপর পরীক্ষা শুরু করা সম্ভব হয়।
প্রধান শিক্ষক অরুণ কুমার দত্ত জানান, এনসিপি নেতা আশরাফ হোসেন তার এক পরীক্ষার্থীকে নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করলে কিছু শিক্ষার্থী উত্তেজিত হয়ে অসামাজিক স্লোগান দিতে থাকে। আমি তাদের বাধা দিতে গেলে আমাকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়, এতে আমি আহত হই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ এসে নেতাকে উদ্ধার করে।
রিপোর্টারের নাম 




















