ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ক্রীড়া প্রশাসনে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্তির আহ্বান সাবেক ফুটবলার গাফফারের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

নবনিযুক্ত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের প্রতি বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবেক ফুটবলার আব্দুল গাফফার। একইসঙ্গে সাবেক খেলোয়াড়দের কল্যাণে গঠিত ‘সোনালী অতীত ক্লাব’-কে একটি স্বনির্ভর ও টেকসই প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ারও অনুরোধ করেছেন তিনি।

এক বিবৃতিতে গাফফার বলেন, দেশের ক্রীড়াঙ্গনের নেতৃত্বে একজন সাবেক ফুটবলারকে ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে পাওয়া নিঃসন্দেহে গর্বের বিষয়। তবে ক্রীড়ার প্রকৃত ও টেকসই উন্নয়নের জন্য ক্রীড়া প্রশাসনকে রাজনৈতিক আধিপত্য থেকে মুক্ত রাখা অপরিহার্য। তিনি মনে করেন, রাষ্ট্রীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলোতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ক্রীড়ার সার্বিক অগ্রগতিকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করে।

গত কয়েক বছরে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে রাজনীতির নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে ‘স্পোর্টিং ডিরেক্টর’ পদটি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে সেখানে অভিজ্ঞ ক্রীড়াবিদদের নিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন গাফফার। এর মাধ্যমে ক্রীড়াঙ্গনের পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সাবেক খেলোয়াড়দের জন্য গঠিত সোনালী অতীত ক্লাবকে একটি স্বনির্ভর ও টেকসই প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার অনুরোধও তার বিবৃতিতে গুরুত্ব পেয়েছে। এর মাধ্যমে সাবেক ক্রীড়াবিদদের দীর্ঘমেয়াদী কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে সংস্কার না হলে রাজপথে তীব্র আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের

ক্রীড়া প্রশাসনে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্তির আহ্বান সাবেক ফুটবলার গাফফারের

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নবনিযুক্ত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের প্রতি বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবেক ফুটবলার আব্দুল গাফফার। একইসঙ্গে সাবেক খেলোয়াড়দের কল্যাণে গঠিত ‘সোনালী অতীত ক্লাব’-কে একটি স্বনির্ভর ও টেকসই প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ারও অনুরোধ করেছেন তিনি।

এক বিবৃতিতে গাফফার বলেন, দেশের ক্রীড়াঙ্গনের নেতৃত্বে একজন সাবেক ফুটবলারকে ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে পাওয়া নিঃসন্দেহে গর্বের বিষয়। তবে ক্রীড়ার প্রকৃত ও টেকসই উন্নয়নের জন্য ক্রীড়া প্রশাসনকে রাজনৈতিক আধিপত্য থেকে মুক্ত রাখা অপরিহার্য। তিনি মনে করেন, রাষ্ট্রীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলোতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ক্রীড়ার সার্বিক অগ্রগতিকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করে।

গত কয়েক বছরে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে রাজনীতির নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে ‘স্পোর্টিং ডিরেক্টর’ পদটি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে সেখানে অভিজ্ঞ ক্রীড়াবিদদের নিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন গাফফার। এর মাধ্যমে ক্রীড়াঙ্গনের পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সাবেক খেলোয়াড়দের জন্য গঠিত সোনালী অতীত ক্লাবকে একটি স্বনির্ভর ও টেকসই প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার অনুরোধও তার বিবৃতিতে গুরুত্ব পেয়েছে। এর মাধ্যমে সাবেক ক্রীড়াবিদদের দীর্ঘমেয়াদী কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।