উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফ পর্বের বাধা টপকে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। দ্বিতীয় লেগের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে এএস মোনাকোর সঙ্গে ২–২ গোলে ড্র করলেও, প্রথম লেগের ৩–২ ব্যবধানের জয় লুইস এনরিকের শিষ্যদের পরের রাউন্ডে পৌঁছে দিয়েছে। দুই লেগ মিলিয়ে ৫–৪ অ্যাগ্রিগেটে এগিয়ে থেকে মাঠ ছাড়ে ফরাসি জায়ান্টরা।
মোনাকোর ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচের ভাগ্য বদলে যায় ৫৮ মিনিটে। পিএসজির খভিচা কাভারাতস্কেলিয়াকে ফাউল করার দায়ে মোনাকোর মিডফিল্ডার মামাদু কুলিবালি দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে স্বাগতিকরা ১০ জনের দলে পরিণত হয়। একজন ফুটবলার কম নিয়ে খেলার সুযোগটি পুরোপুরি কাজে লাগায় পিএসজি।
ম্যাচের প্রথমার্ধে অবশ্য দাপট ছিল মোনাকোরই। মাঘনেশ অ্যাকলিউশের দুর্দান্ত গোলে লিড নিয়ে পিএসজিকে চাপে ফেলে দিয়েছিল তারা। তবে কুলিবালির বিদায়ের পর খেই হারিয়ে ফেলে স্বাগতিক রক্ষণভাগ। সেই সুযোগে ফ্রি-কিক থেকে চোখধাঁধানো এক গোলে পিএসজিকে সমতায় ফেরান অধিনায়ক মার্কিনিয়োস। সমতায় ফেরার মাত্র ছয় মিনিটের মাথায় পিএসজিকে লিড এনে দেন খভিচা কাভারাতস্কেলিয়া।
ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে জর্ডান তেজে গোল করে মোনাকোকে ২–২ সমতায় ফেরালেও তা কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে। ম্যাচের বাকি সময়টুকুতে আর কোনো গোল না হওয়ায় ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় দুদলকে। তবে দুই লেগ মিলিয়ে পিছিয়ে থাকায় টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় মোনাকোকে।
ম্যাচ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় মোনাকো কোচ সেভাস্তিয়েন পোকোগনলি লাল কার্ডের সিদ্ধান্তকে কিছুটা কঠোর বলে মন্তব্য করেন। তার মতে, কুলিবালির মাঠ ছাড়ার ঘটনাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।
গত আসরের চ্যাম্পিয়নদের জন্য এবারের পথচলাটা বেশ কঠিন ছিল। প্রথমার্ধে ছন্দহীন ফুটবল খেলে বিদায়ের শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল পিএসজি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে সেরা ১৬-তে জায়গা করে নিয়েছে তারা। কোচ লুইস এনরিকে দলের পারফরম্যান্সে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, প্রথমার্ধ কঠিন হলেও প্রতিকূল পরিস্থিতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্যই তার দলকে জয়ী করেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























