বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরে বুধবারের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার দুপুরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আরিফ হোসেন খান বলেন, নবনিযুক্ত গভর্নর বাংলাদেশ ব্যাংকে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, যেসকল কর্মকর্তা এই ধরনের বিশৃঙ্খলাপূর্ণ আচরণের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ নীতি (HR Policy) অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১১টায় নতুন গভর্নর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর তিনি ব্যাংকের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হন। সেই বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরতেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
মুখপাত্র আরও জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই গভর্নর কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় বন্ধ থাকা কলকারখানাগুলো পুনরায় চালু করার উদ্যোগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে সক্রিয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনীতিকে প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানমুখী করতে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশ ব্যাংক বদ্ধপরিকর।
উল্লেখ্য, গত বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তা ‘মব’ বা দলবদ্ধভাবে চাপ সৃষ্টি করে বের করে দেন। আহসান উল্লাহকে গাড়িতে তুলে দেওয়ার ঘটনায় নেতৃত্ব দেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক তৌহিদুল ইসলাম। এই ঘটনাটি ঘটেছিল বুধবার দুপুর আনুমানিক ৩টার দিকে, যা গভর্নরের সামনেই সংঘটিত হয়। এছাড়াও, গত বুধবার বিকেলে পাঁচজন কর্মকর্তাকে ডেপুটি গভর্নর কবির আহমেদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ফাইল সই করিয়ে বদলি অর্ডার সংগ্রহ করার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
রিপোর্টারের নাম 























