দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে এবং বহুমুখী সহযোগিতা জোরদারে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। উভয় পক্ষই আগামী দিনগুলোতে সব ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধির মাধ্যমে এই দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বকে এক নতুন দিগন্তে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বের বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং শান্তি ও উন্নয়নের প্রতি অবিচল অঙ্গীকারের ভিত্তিতে এই অংশীদারত্ব গড়ে উঠেছে বলে জানানো হয়।
আলোচনায় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, উন্নয়ন অংশীদারত্ব, অভিবাসন এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগসহ সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ও বিস্তৃত ক্ষেত্রগুলো বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। এছাড়া, আগামী মার্চের শুরুর দিকে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের বাংলাদেশ সফর নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যুটিও বিশেষ গুরুত্ব পায়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত মানবিক সহায়তার ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সাথে, তিনি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে মিয়ানমারে রাজনৈতিক সমর্থন অব্যাহত রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানান।
উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করে যে, আগামী বছরগুলোতে বহুমুখী খাতে সহযোগিতা আরও জোরদারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
উল্লেখ্য, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গেও তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
রিপোর্টারের নাম 





















