ইয়েমেনের হুতি রাজনৈতিক ব্যুরোর মুখপাত্র মোহাম্মদ আবদুস সালাম ওমানে একটি সৌদি প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠক করেছেন। ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ হুথির একটি সূত্রমতে, এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করা।
সম্প্রতি, রিয়াদ ইয়েমেনের হুদাইদাহ প্রদেশে বিমান হামলা চালানোর পর, শনিবার লোহিত সাগর উপকূলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও সৌদি তেল স্থাপনায় হামলা চালায় ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতিরা। এই হামলাগুলো ইয়েমেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, মার্কিন-ইরান উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পারস্য উপসাগরের বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় বাব আল-মান্দেব প্রণালী রিয়াদের তেল রপ্তানির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রুটে পরিণত হয়েছে। এর আগে, সৌদি আরব ইয়েমেনে অবরোধ দিলে হুতিরা এই প্রণালী দিয়ে সৌদি-সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘোষণা দিয়েছিল।
এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে হুতি গোষ্ঠী জানিয়েছে, সৌদির আগ্রাসনের জবাবে ইয়েমেনী সশস্ত্র বাহিনী দুটি সুনির্দিষ্ট সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। প্রথম অভিযানে জিজানের সংবেদনশীল আরামকো স্থাপনা এবং দ্বিতীয় অভিযানে ইয়ানবুর সংবেদনশীল আরামকো স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই হামলার পর ইয়েমেন টেলিভিশন জানিয়েছে যে দেশটির মধ্যবর্তী মারিব এবং উত্তরাঞ্চলীয় আল-জউফ প্রদেশে হুতি বাহিনীর বিভিন্ন অবস্থানে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 



















