ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরমাণু ইস্যুতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বড় অগ্রগতি, সমঝোতার পথে দুই দেশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েন কাটিয়ে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতির কথা জানিয়েছে ইরান। ওমানের মধ্যস্থতায় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই পক্ষ দীর্ঘস্থায়ী বিরোধ নিরসনে একটি অভিন্ন ‘নির্দেশিকা নীতি’ বা গাইডলাইনে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এই আলোচনাকে ইতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, আলোচনার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে, যার ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও টেকসই চুক্তির কাজ শুরু করা সম্ভব হবে। মূলত ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনা প্রশমন এবং সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি এড়াতেই এই বিশেষ কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়।

তবে আলোচনার এই ইতিবাচক আবহের মধ্যেও কিছুটা সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মন্তব্য করেছেন যে, তেহরান এখনো ওয়াশিংটনের দেওয়া সকল শর্ত বা দাবি মেনে নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত নয়।

তা সত্ত্বেও আরাগচি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, সমঝোতার জন্য যে মূল নীতিমালা প্রয়োজন ছিল, তা এখন চূড়ান্ত। এই অগ্রগতির ফলে দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা নিরসনের নতুন পথ উন্মোচিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথের বেদখল হল উদ্ধারে সব ধরনের আইনি সহায়তার আশ্বাস এমপি হামিদের

পরমাণু ইস্যুতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বড় অগ্রগতি, সমঝোতার পথে দুই দেশ

আপডেট সময় : ১১:২৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েন কাটিয়ে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতির কথা জানিয়েছে ইরান। ওমানের মধ্যস্থতায় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই পক্ষ দীর্ঘস্থায়ী বিরোধ নিরসনে একটি অভিন্ন ‘নির্দেশিকা নীতি’ বা গাইডলাইনে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এই আলোচনাকে ইতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, আলোচনার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে, যার ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও টেকসই চুক্তির কাজ শুরু করা সম্ভব হবে। মূলত ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনা প্রশমন এবং সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি এড়াতেই এই বিশেষ কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়।

তবে আলোচনার এই ইতিবাচক আবহের মধ্যেও কিছুটা সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মন্তব্য করেছেন যে, তেহরান এখনো ওয়াশিংটনের দেওয়া সকল শর্ত বা দাবি মেনে নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত নয়।

তা সত্ত্বেও আরাগচি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, সমঝোতার জন্য যে মূল নীতিমালা প্রয়োজন ছিল, তা এখন চূড়ান্ত। এই অগ্রগতির ফলে দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা নিরসনের নতুন পথ উন্মোচিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।