২০৩ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অবিশ্বাস্য এক লড়াই দেখিয়েছে ইতালি। বেন মেনেত্তি ও গ্র্যান্ট স্টুয়ার্টের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে একসময় জয়ের স্বপ্নও দেখতে শুরু করেছিল তারা। তবে শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ ইংল্যান্ডের কাছে মাত্র ২৪ রানে হার মানতে হলো। এই জয়ে গ্রুপ ‘সি’ থেকে দ্বিতীয় দল হিসেবে সুপার এইটে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছে ইংলিশরা।
পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইতালির শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথম ওভারেই দুই উইকেট হারানোর পর ২২ রানেই হারায় আরও এক উইকেট। মনে হচ্ছিল, বড় ব্যবধানেই হারতে যাচ্ছে দলটি। কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয় ইতালিয়ানদের রূপকথার মতো ঘুরে দাঁড়ানো। ওপেনার জাস্টিন মোসকা ৩৪ বলে ৪৩ রানের এক দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেন।
এরপর ক্রিজে আসেন বেন মেনেত্তি ও গ্র্যান্ট স্টুয়ার্ট। এই দুই ব্যাটার মিলে শুরু করেন পাল্টা আক্রমণ। মেনেত্তি মাত্র ২৫ বলে ৬০ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল বাউন্ডারির ফুলঝুরি। অন্যদিকে, স্টুয়ার্টও সমান তালে ব্যাট চালিয়ে ২৩ বলে খেলেন ৪৫ রানের এক ঝড়ো ইনিংস। তাদের জুটিতেই জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল ইতালি। তবে শেষ দিকে অভিজ্ঞতার অভাবে ১৭৮ রানে গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস। ইংল্যান্ডের হয়ে জেমি ওভারটন ১৮ রানে ৩টি এবং স্যাম কারান ২২ রানে ৩টি উইকেট নিয়ে ইতালির প্রতিরোধ ভাঙেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও রানের চাকা সচল রেখেছিল ইংল্যান্ড। ওপেনার ফিল সল্ট ১৫ বলে ২৮ রান করে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন। জ্যাকব বেথেল ২০ বলে ২৩ ও টম ব্যানটন ২১ বলে ৩০ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন। তবে দলের সংগ্রহ দুইশ’ পেরোয় মূলত উইল জ্যাকসের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে। ২২ বলে ৫২ রানের এক দুর্দান্ত ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। এছাড়া স্যাম কারান ১৯ বলে ২৫ রান করে দলের পুঁজি আরও বাড়ান। ইতালির পক্ষে গ্র্যান্ট স্টুয়ার্ট ও ক্রিশান কালুগামাগে দুটি করে উইকেট নেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ইংল্যান্ড : ২০২/৭, ২০ ওভার (জ্যাকস ৫২, ব্যানটন ৩০, কালুগামাগে ২/৪১)।
ইতালি : ১৭৮/১০, ২০ ওভার (মেনেত্তি ৬০, স্টুয়ার্ট ৪৫, ওভারটন ৩/১৮)।
ফলাফল : ইংল্যান্ড ২৪ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা : উইল জ্যাকস।
রিপোর্টারের নাম 























