ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এফএ কাপে দাপুটে জয়, আর্সেনালের শেষ ষোলোয় প্রবেশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ইংলিশ ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী এফএ কাপে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে আর্সেনাল। চতুর্থ রাউন্ডের এই লড়াইয়ে তারা তৃতীয় বিভাগের দল উইগান অ্যাথলেটিককে কোনো সুযোগই দেয়নি, উড়িয়ে দিয়েছে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে। এই জয় মৌসুমে আর্সেনালের চারটি প্রতিযোগিতায় শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্নকে আরও উজ্জ্বল করেছে।

শুরুর বাঁশি বাজার সাথে সাথেই নিজেদের মাঠের সুবিধা কাজে লাগিয়ে একতরফা আধিপত্য বিস্তার করে মিকেল আর্তেতার শিষ্যরা। বিশেষ করে ম্যাচের ১১ থেকে ২৭ মিনিটের মধ্যে মাত্র ১৬ মিনিটের বিধ্বংসী পারফরম্যান্সে প্রতিপক্ষের রক্ষণকে ছিন্নভিন্ন করে দেয় তারা। এই সময়ে করা চার গোল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

আর্সেনালের প্রথম দুটি গোল আসে মিডফিল্ডার এবেরেচি এজের নিখুঁত অ্যাসিস্ট থেকে। ননি মাদুয়েকে ও গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি দুজনেই এই সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে দেন। এরপর ভাগ্যের পরিহাসে উইগানের ডিফেন্ডার জ্যাক হান্টারের আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৩-০। খেলার মিনিট পনেরো পরেই গ্যাব্রিয়েল জেসুস চতুর্থ গোলটি করে প্রতিপক্ষের শেষ আশার প্রদীপ নিভিয়ে দেন।

গোলরক্ষক কেপা আরিজাবালাগার জন্য ম্যাচটি তুলনামূলকভাবে সহজ হলেও, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে তিনি দলের ক্লিনশিট ধরে রাখতে ভূমিকা রেখেছেন। বিশেষ করে জো টেলর এবং রাফায়েল রদ্রিগেজের জোরালো শটগুলো ঠেকিয়ে দিয়ে তিনি দলকে স্বস্তি এনে দেন। বিরতির পরও আর্সেনাল আক্রমণের ধারা বজায় রাখে, তবে ভিক্টর গিয়োকেরেসের একটি শক্তিশালী শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসায় ব্যবধান আর বাড়েনি। কিন্তু প্রথমার্ধের এই ঝড়ো পারফরম্যান্সই তাদের জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল।

এই জয়ে ১৯৯২-৯৩ মৌসুমের পর প্রথমবারের মতো এফএ কাপের ম্যাচে প্রথম ৩০ মিনিটের মধ্যে চার গোল করার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করল আর্সেনাল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে সংস্কার না হলে রাজপথে তীব্র আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের

এফএ কাপে দাপুটে জয়, আর্সেনালের শেষ ষোলোয় প্রবেশ

আপডেট সময় : ০৭:৫৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইংলিশ ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী এফএ কাপে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে আর্সেনাল। চতুর্থ রাউন্ডের এই লড়াইয়ে তারা তৃতীয় বিভাগের দল উইগান অ্যাথলেটিককে কোনো সুযোগই দেয়নি, উড়িয়ে দিয়েছে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে। এই জয় মৌসুমে আর্সেনালের চারটি প্রতিযোগিতায় শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্নকে আরও উজ্জ্বল করেছে।

শুরুর বাঁশি বাজার সাথে সাথেই নিজেদের মাঠের সুবিধা কাজে লাগিয়ে একতরফা আধিপত্য বিস্তার করে মিকেল আর্তেতার শিষ্যরা। বিশেষ করে ম্যাচের ১১ থেকে ২৭ মিনিটের মধ্যে মাত্র ১৬ মিনিটের বিধ্বংসী পারফরম্যান্সে প্রতিপক্ষের রক্ষণকে ছিন্নভিন্ন করে দেয় তারা। এই সময়ে করা চার গোল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

আর্সেনালের প্রথম দুটি গোল আসে মিডফিল্ডার এবেরেচি এজের নিখুঁত অ্যাসিস্ট থেকে। ননি মাদুয়েকে ও গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি দুজনেই এই সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে দেন। এরপর ভাগ্যের পরিহাসে উইগানের ডিফেন্ডার জ্যাক হান্টারের আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৩-০। খেলার মিনিট পনেরো পরেই গ্যাব্রিয়েল জেসুস চতুর্থ গোলটি করে প্রতিপক্ষের শেষ আশার প্রদীপ নিভিয়ে দেন।

গোলরক্ষক কেপা আরিজাবালাগার জন্য ম্যাচটি তুলনামূলকভাবে সহজ হলেও, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে তিনি দলের ক্লিনশিট ধরে রাখতে ভূমিকা রেখেছেন। বিশেষ করে জো টেলর এবং রাফায়েল রদ্রিগেজের জোরালো শটগুলো ঠেকিয়ে দিয়ে তিনি দলকে স্বস্তি এনে দেন। বিরতির পরও আর্সেনাল আক্রমণের ধারা বজায় রাখে, তবে ভিক্টর গিয়োকেরেসের একটি শক্তিশালী শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসায় ব্যবধান আর বাড়েনি। কিন্তু প্রথমার্ধের এই ঝড়ো পারফরম্যান্সই তাদের জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল।

এই জয়ে ১৯৯২-৯৩ মৌসুমের পর প্রথমবারের মতো এফএ কাপের ম্যাচে প্রথম ৩০ মিনিটের মধ্যে চার গোল করার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করল আর্সেনাল।