নির্বাচনের আগমুহূর্তে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোকে ঘিরে কঠোর অবস্থানে নিয়েছে সেনাবাহিনী ও যৌথ বাহিনী। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গাদের ভাড়ায় নিয়ে কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা রোধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর আহমেদ জানান:
- বুধবার থেকেই অবরুদ্ধ ক্যাম্প: আজ বুধবার থেকেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতরে থাকা রোহিঙ্গাদের বাইরে যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
- গতিবিধি পর্যবেক্ষণ: ক্যাম্পের নিরাপত্তায় কাঁটাতারের বেড়া মেরামত, নতুন চেকপোস্ট স্থাপন এবং নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে।
- স্ট্রাইকিং ফোর্স: কক্সবাজারের ৪টি নির্বাচনি আসনের দুর্গম কেন্দ্রগুলোতে সেনাবাহিনীর স্ট্রাইকিং ফোর্স সর্বদা প্রস্তুত থাকবে।
- সহিংসতা মোকাবিলা: কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম বা সংঘাত দেখা দিলে সেনাবাহিনী পুলিশ, র্যাব ও বিজিবির সঙ্গে সমন্বিতভাবে তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেবে।
সেনাবাহিনীর এই বিশেষ তৎপরতার মূল লক্ষ্য হলো ভোটারদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা, যাতে তাঁরা কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের এই নির্বাচনে সেনাবাহিনী ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সারাদেশের নিরাপত্তায় মোতায়েন রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 


















