দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের উপজেলা ও পৌর যুবদলের ৮ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক সিদ্ধান্তে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের নির্দেশনায় সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়।
বহিষ্কৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন— কালীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সুজা উদ্দীন আহাম্মেদ পিয়াল, যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা কালাম টিটো, মঞ্জুরুল হক খোকা ও মোহাম্মাদ আলী। এছাড়া কালীগঞ্জ পৌর যুবদলের সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম জাহিদ এবং যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান আসাদ, আব্দুল লতিফ ও ইমরান হোসেনকেও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এই কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সাইফুল ইসলাম ফিরোজ এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে দল শেষ পর্যন্ত রাশেদ খাঁনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান করে।
উল্লেখ্য, এই আসনে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ছাড়াও মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ এবং জেলা বিএনপির উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আলহাজ্ব এম শহীদুজ্জামান বেল্টুর সহধর্মিণী মুর্শিদা জামান। দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে হামিদ ও মুর্শিদা জামান নির্বাচনের মাঠ থেকে সরে দাঁড়ালেও সাইফুল ইসলাম ফিরোজ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় স্থানীয় যুবদলের ওই ৮ নেতার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করল কেন্দ্রীয় কমিটি।
রিপোর্টারের নাম 
























