ঢাকা ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

নোয়াখালীতে ধানের শীষ প্রতীকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থীর কার্যালয়ে হামলা, আহত ৩

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে। সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের ভোরের বাজারে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের (কাপ পিরিচ) প্রতীকের নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কাজী মফিজুর রহমানের তিনজন সমর্থক আহত হয়েছেন এবং নির্বাচনী কার্যালয়ের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টার দিকে উপজেলার ভোরের বাজারে এই হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, বিদ্রোহী প্রার্থীর কার্যালয়ে একটি সভা চলছিল। সভা চলাকালীন সময়ে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের ৮-১০ জন প্রচারকর্মী কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় উভয় পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক স্লোগান বিনিময় শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তেজনাকর হয়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ উঠেছে, ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের কর্মীরা বিদ্রোহী প্রার্থীর কার্যালয়ে প্রবেশ করে চেয়ার, টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান অভিযোগ করেছেন যে, বারগাঁও ইউনিয়ন ২ নম্বর ওয়ার্ডের রাজিবপুর গ্রামে তাঁর নির্বাচনী কার্যালয়ে সভা শেষ হওয়ার পর তিনি চলে যান। এরপর সাবেক চেয়ারম্যান দুলাল এবং বিএনপি নেতা কামাল উদ্দিন বাবুলের নির্দেশে যুবদল নেতা ও ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের সমর্থক মো. পলাশ, মহিউদ্দিন চৌধুরী, মো. কানন, মো. বাদশা এবং তাদের ১৫-২০ জন সহযোগী তাঁর কার্যালয়ে হামলা চালায়। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ জানানো হলেও তারা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা না নিয়ে কালক্ষেপণ করেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক জানান, তিনি এ বিষয়ে অবগত নন।

অন্যদিকে, সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানিয়েছেন, নির্বাচন অফিসে কোনো ভাঙচুর হয়নি। তবে, স্বতন্ত্র প্রার্থীর বৈঠকের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিএনপির কিছু লোক ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের স্লোগান দিলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইমামদের নেতৃত্বে ন্যায়-ইনসাফের সমাজ গড়ার আহ্বান মসজিদ মিশনের

নোয়াখালীতে ধানের শীষ প্রতীকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থীর কার্যালয়ে হামলা, আহত ৩

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে। সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের ভোরের বাজারে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের (কাপ পিরিচ) প্রতীকের নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কাজী মফিজুর রহমানের তিনজন সমর্থক আহত হয়েছেন এবং নির্বাচনী কার্যালয়ের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টার দিকে উপজেলার ভোরের বাজারে এই হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, বিদ্রোহী প্রার্থীর কার্যালয়ে একটি সভা চলছিল। সভা চলাকালীন সময়ে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের ৮-১০ জন প্রচারকর্মী কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় উভয় পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক স্লোগান বিনিময় শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তেজনাকর হয়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ উঠেছে, ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের কর্মীরা বিদ্রোহী প্রার্থীর কার্যালয়ে প্রবেশ করে চেয়ার, টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান অভিযোগ করেছেন যে, বারগাঁও ইউনিয়ন ২ নম্বর ওয়ার্ডের রাজিবপুর গ্রামে তাঁর নির্বাচনী কার্যালয়ে সভা শেষ হওয়ার পর তিনি চলে যান। এরপর সাবেক চেয়ারম্যান দুলাল এবং বিএনপি নেতা কামাল উদ্দিন বাবুলের নির্দেশে যুবদল নেতা ও ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের সমর্থক মো. পলাশ, মহিউদ্দিন চৌধুরী, মো. কানন, মো. বাদশা এবং তাদের ১৫-২০ জন সহযোগী তাঁর কার্যালয়ে হামলা চালায়। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ জানানো হলেও তারা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা না নিয়ে কালক্ষেপণ করেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক জানান, তিনি এ বিষয়ে অবগত নন।

অন্যদিকে, সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানিয়েছেন, নির্বাচন অফিসে কোনো ভাঙচুর হয়নি। তবে, স্বতন্ত্র প্রার্থীর বৈঠকের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিএনপির কিছু লোক ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের স্লোগান দিলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।