দীর্ঘ ১৯ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে পৈত্রিক নিবাস বগুড়ায় আসছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর এই আগমনকে কেন্দ্র করে উত্তরবঙ্গের প্রাণকেন্দ্র বগুড়া এখন উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলের আগেই জনসভাস্থল আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের সড়কগুলোতে মানুষের ঢল নেমেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, জনসভাস্থলে এখন তিল ধারণের ঠাঁই নেই।
দলীয় সূত্র অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এই বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন তারেক রহমান। প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে এবং তাঁর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য শুনতে দুপুর থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হতে থাকেন। শহরের স্টেশন রোড, কবি নজরুল ইসলাম সড়ক, নবাববাড়ি সড়ক, সার্কিট হাউজ রোড এবং শেরপুর রোডসহ প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
সমাবেশস্থলে আসা মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য দেখা গেছে। গাবতলী থেকে আসা রিকশাচালক আমিনুল কিংবা সন্তানকে নিয়ে আসা মোমিন—সবার মাঝেই ছিল দীর্ঘদিনের অপেক্ষার ছাপ। সোনাতলা থেকে আসা নারী কর্মী লায়লা জানান, দলের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তিনি এখানে ছুটে এসেছেন। বিশেষ করে কাহালু থেকে আসা এক প্রান্তিক কৃষক ধানের শীষের আদলে তৈরি বিশেষ পোশাক পরে সবার নজর কেড়েছেন।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা জানান, এই নির্বাচনী জনসভা থেকে তারেক রহমান নিজের আসনসহ জেলার মোট সাতটি আসনের জনগণের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন। এছাড়া বগুড়ার সার্বিক উন্নয়ন ও স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবিগুলো নিয়েও তিনি কথা বলবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বিকেল ৫টা থেকেই জনসভার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, তারেক রহমান সর্বশেষ ২০০৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর বগুড়ায় এসেছিলেন। বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়ীতে তাঁর পৈত্রিক নিবাস হওয়ায় এই জনপদের মানুষের সঙ্গে তাঁর এক নিবিড় আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। দলীয় একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, অন্যান্য নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ করে তিনি বর্তমানে বগুড়ার পথে রয়েছেন। প্রিয় নেতাকে বরণ করে নিতে পুরো শহর এখন ব্যানার, ফেস্টুন আর তোরণে ছেয়ে গেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























