দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করে ফ্যামিলি কার্ডের আওতাভুক্ত পরিবারগুলোর জন্য নির্ধারিত ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, বর্তমানে এই কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা আড়াই হাজার টাকা করে পাচ্ছেন, তবে ভবিষ্যতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং দেশের আর্থিক অবস্থার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে এই পরিমাণ বাড়ানো হতে পারে।
গতকাল সোমবার এক সাক্ষাৎকারে প্রতিমন্ত্রী বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম আলোচিত বিষয় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই কার্ডের মূল উদ্দেশ্য হলো নারীর ক্ষমতায়ন এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা। দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী জুন মাস পর্যন্ত এটি একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালু থাকবে। প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের দ্বিতীয় দিনই একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করেছেন, যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে। এই মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ে কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করবে এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের জনবল তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার কাজে নিয়োজিত থাকবে।
ফ্যামিলি কার্ডটি মূলত নারী প্রধান বা গৃহকর্ত্রীর নামে ইস্যু করা হবে। সুবিধাভোগীরা প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে সরাসরি আড়াই হাজার টাকা ভাতা হিসেবে পাবেন। প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী ৩ থেকে ৪ বছরের মধ্যে দেশের চার কোটি পরিবারের মাঝে এই ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।
বর্তমানে পাইলটিং কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি কর্পোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এটি একটি সর্বজনীন কর্মসূচি এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সকল পরিবারের কাছে এটি পৌঁছে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
রিপোর্টারের নাম 





















