বাংলাদেশে বসবাসরত সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমান নাগরিক অধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিএনপির অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক অঙ্গীকার বলে জানিয়েছেন দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
বৃহস্পতিবার চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের হিন্দু পাড়ায় আয়োজিত এক নির্বাচনি পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিএনপি এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেখানে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিক সমান সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। বিভাজনের রাজনীতি পরিহার করে ‘বাংলাদেশি’ জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ সমাজ বিনির্মাণই দলের মূল লক্ষ্য।
নির্বাচনি ইশতেহারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির ইশতেহারে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সকল দাবি ও প্রত্যাশাকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এ দেশে ধর্ম বা জাতের ভিত্তিতে কোনো ভেদাভেদ করতে দেওয়া হবে না। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই স্লোগানকে ধারণ করে বিএনপি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও প্রগতির পথে দেশকে এগিয়ে নিতে চায়।
সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, বিএনপির ইতিহাস সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ইতিহাস। দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে সব ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সহাবস্থান ও অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন। পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সব সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্বাধীনতার সুরক্ষা দিয়েছেন, যা আজ ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।
পথসভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক ও সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশে গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার পুনপ্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
রিপোর্টারের নাম 

























