আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় ধরনের ধাক্কা খেল যুক্তরাষ্ট্র। দুর্নীতি ও অসাধু আচরণ সংক্রান্ত গুরুতর অভিযোগে দেশটির তারকা ক্রিকেটার অ্যারন জোনসকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে, যা ক্রিকেট মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
আইসিসি জানিয়েছে, জোনসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অসাধু আচরণ সংক্রান্ত মোট পাঁচটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ অভিযোগই ২০২৩-২৪ মৌসুমে বার্বাডোজে অনুষ্ঠিত বিম১০ টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে। এই টুর্নামেন্টটি ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের (সিডব্লিউআই) অধীনে আয়োজিত হয়েছিল। তবে, পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে দুটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ সংশ্লিষ্ট, যা সরাসরি আইসিসির এখতিয়ারভুক্ত।
সিডব্লিউআইয়ের অভিযোগ অনুযায়ী, বিম১০ টুর্নামেন্টে জোনস ম্যাচের নির্দিষ্ট কিছু মুহূর্তে তার প্রভাব খাটিয়ে গতিপথ পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিলেন। পাশাপাশি, সন্দেহজনক প্রস্তাবের বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করা এবং তদন্তে অসহযোগিতা করার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে আনা হয়েছে। অন্যদিকে, আইসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই মার্কিন ব্যাটার দুর্নীতিমূলক প্রস্তাবের তথ্য গোপন রেখেছেন এবং তদন্তে বাধা দিতে প্রমাণ লুকানো বা পরিবর্তনের মতো গুরুতর অপরাধ করেছেন। আইসিসি আরও ইঙ্গিত দিয়েছে যে, এটি একটি বৃহত্তর তদন্তের অংশ এবং ভবিষ্যতে আরও ব্যক্তি এই তদন্তের আওতায় অভিযুক্ত হতে পারেন।
৩১ বছর বয়সী অ্যারন জোনসকে নিজের বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি তার স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরতে পারবেন। তবে, মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি কোনো ধরনের ক্রিকেট কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না।
যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে মোট ১০০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা জোনস টি-টোয়েন্টি লিগেও একটি পরিচিত মুখ। তিনি সিয়াটল অরকাস ও সেন্ট লুসিয়া কিংসের মতো দলের হয়ে নিয়মিত খেলেছেন। এমনকি, ২০২৪ সালে কিংসের শিরোপা জয়ের মৌসুমে তিনি দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন। সবশেষ তিনি ২০২৫ সালের নভেম্বরে আবুধাবিতে একটি টি-টেন টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 























