ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ী ও কিশোর শ্রমিকের মৃত্যু

রাজধানীর তেজগাঁও ও কদমতলীতে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় এক ব্যবসায়ী ও এক কিশোর শ্রমিক নিহত হয়েছেন। রোববার রাতে ঘাতক ট্রাকের ধাক্কায় মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা দুটি ঘটে। নিহতরা হলেন নাজমুল হক (৪৭) ও শাহ আলম (১২)।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে নাজমুল হক গ্রিনরোডে তার বোনের বাসা থেকে মোটরসাইকেলে করে উত্তরখানের নিজ বাসায় ফিরছিলেন। পথিমধ্যে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় পৌঁছালে একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত ১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত নাজমুল হক লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার বাসিন্দা। তিনি উত্তরখানের হেলাল মার্কেট এলাকায় সপরিবারে থাকতেন।

এদিকে, একই রাতে কদমতলী থানাধীন শনির আখড়ার জাপানী বাজার এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় ট্রাকচাপায় প্রাণ হারায় ১২ বছরের কিশোর শাহ আলম। সে স্থানীয় একটি মানিব্যাগ তৈরির কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিল। কারখানার মালিক জুবায়ের জানান, রাতে নাস্তা খাওয়ার উদ্দেশ্যে বাইরে বের হলে সে দুর্ঘটনার শিকার হয়। পরে খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শাহ আলমের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, নিহত দুইজনের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো প্রকার ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দুটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসন: মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, দায়ীদের বিচারের দাবি ভাসানী জনশক্তি পার্টির

রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ী ও কিশোর শ্রমিকের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর তেজগাঁও ও কদমতলীতে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় এক ব্যবসায়ী ও এক কিশোর শ্রমিক নিহত হয়েছেন। রোববার রাতে ঘাতক ট্রাকের ধাক্কায় মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা দুটি ঘটে। নিহতরা হলেন নাজমুল হক (৪৭) ও শাহ আলম (১২)।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে নাজমুল হক গ্রিনরোডে তার বোনের বাসা থেকে মোটরসাইকেলে করে উত্তরখানের নিজ বাসায় ফিরছিলেন। পথিমধ্যে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় পৌঁছালে একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত ১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত নাজমুল হক লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার বাসিন্দা। তিনি উত্তরখানের হেলাল মার্কেট এলাকায় সপরিবারে থাকতেন।

এদিকে, একই রাতে কদমতলী থানাধীন শনির আখড়ার জাপানী বাজার এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় ট্রাকচাপায় প্রাণ হারায় ১২ বছরের কিশোর শাহ আলম। সে স্থানীয় একটি মানিব্যাগ তৈরির কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিল। কারখানার মালিক জুবায়ের জানান, রাতে নাস্তা খাওয়ার উদ্দেশ্যে বাইরে বের হলে সে দুর্ঘটনার শিকার হয়। পরে খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শাহ আলমের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, নিহত দুইজনের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো প্রকার ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দুটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।