ঢাকা ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা-৮ আসনকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত করার অঙ্গীকার মির্জা আব্বাসের

বিএনপি মনোনীত ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, গত ১৭ বছরে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির কারণে তাঁর নির্বাচনী এলাকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি নির্বাচিত হলে এই আসনকে এই সকল অশুভ শক্তি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর মালিবাগ ও শাহজাহানপুর এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। মির্জা আব্বাস বলেন, “আমার এলাকাকে গত ১৭ বছর ধরে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি ধ্বংস করে দিয়েছে। আমি কথা দিচ্ছি, নির্বাচিত হলে আমি এই এলাকাকে এই সকল অপশক্তির হাত থেকে মুক্ত করব।”

তিনি অভিযোগ করেন যে, কিছু রাজনৈতিক দল এবং সরকারি মহলের বক্তব্যে ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বলেন, “কিছু কথা শুনে মনে হচ্ছে যেন ‘ডাল মে কুছ কালা হ্যায়’। ঢাকা শহরে আমাদের একটি আসনও দেওয়া হবে না এমন বক্তব্য শুনেছি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আসন দেওয়ার মালিক কে? আল্লাহ এবং এ দেশের জনগণই আসন দেওয়ার মালিক। জনগণের ভোটই ক্ষমতার একমাত্র উৎস। কোনো দল বা গোষ্ঠী এককভাবে কাউকে আসন দেওয়ার অধিকারী নয়; আল্লাহ এবং জনগণই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।”

মির্জা আব্বাস আরও আশা প্রকাশ করেন যে, ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের মতো জনগণ এবারও তাঁকে এবং তাঁর দলকে বিবেচনা করে পুনরায় নির্বাচিত করবেন।

জামায়াতের আমিরের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে জামায়াতের আমিরের দেওয়া বক্তব্য নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি বলেন, “তারা বেকার ভাতা নয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবেন বলছেন— এই বিষয়টি জনগণই মূল্যায়ন করবে।”

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আসন দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ ও জনগণ। জনগণের ঊর্ধ্বে গিয়ে কথা বলা স্বেচ্ছাচারিতা এবং অগণতান্ত্রিক আচরণ। তারা এই ধরনের কথা বলার সাহস কোথায় পায়? এখন মনে হচ্ছে, কোনো বিশেষ শক্তি নির্বাচনী কারচুপির মাধ্যমে কিছু করার চেষ্টা করছে, যা জনগণ প্রতিহত করবে।”

নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মির্জা আব্বাস বলেন, তিনি চান নির্বাচন যেন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়। তবে কিছু দলের বক্তব্য এবং সরকারি মহলের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে, “সামথিং ইজ রং, ডাল মে কুছ কালা হ্যায়।” তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, বাংলাদেশের জনগণ সর্বদা সচেতন এবং প্রতিবাদী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ পুলিশে এএসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ, আবেদন প্রক্রিয়া শুরু ২৮ এপ্রিল

ঢাকা-৮ আসনকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত করার অঙ্গীকার মির্জা আব্বাসের

আপডেট সময় : ১০:৫১:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপি মনোনীত ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, গত ১৭ বছরে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির কারণে তাঁর নির্বাচনী এলাকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি নির্বাচিত হলে এই আসনকে এই সকল অশুভ শক্তি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর মালিবাগ ও শাহজাহানপুর এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। মির্জা আব্বাস বলেন, “আমার এলাকাকে গত ১৭ বছর ধরে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি ধ্বংস করে দিয়েছে। আমি কথা দিচ্ছি, নির্বাচিত হলে আমি এই এলাকাকে এই সকল অপশক্তির হাত থেকে মুক্ত করব।”

তিনি অভিযোগ করেন যে, কিছু রাজনৈতিক দল এবং সরকারি মহলের বক্তব্যে ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বলেন, “কিছু কথা শুনে মনে হচ্ছে যেন ‘ডাল মে কুছ কালা হ্যায়’। ঢাকা শহরে আমাদের একটি আসনও দেওয়া হবে না এমন বক্তব্য শুনেছি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আসন দেওয়ার মালিক কে? আল্লাহ এবং এ দেশের জনগণই আসন দেওয়ার মালিক। জনগণের ভোটই ক্ষমতার একমাত্র উৎস। কোনো দল বা গোষ্ঠী এককভাবে কাউকে আসন দেওয়ার অধিকারী নয়; আল্লাহ এবং জনগণই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।”

মির্জা আব্বাস আরও আশা প্রকাশ করেন যে, ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের মতো জনগণ এবারও তাঁকে এবং তাঁর দলকে বিবেচনা করে পুনরায় নির্বাচিত করবেন।

জামায়াতের আমিরের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে জামায়াতের আমিরের দেওয়া বক্তব্য নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি বলেন, “তারা বেকার ভাতা নয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবেন বলছেন— এই বিষয়টি জনগণই মূল্যায়ন করবে।”

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আসন দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ ও জনগণ। জনগণের ঊর্ধ্বে গিয়ে কথা বলা স্বেচ্ছাচারিতা এবং অগণতান্ত্রিক আচরণ। তারা এই ধরনের কথা বলার সাহস কোথায় পায়? এখন মনে হচ্ছে, কোনো বিশেষ শক্তি নির্বাচনী কারচুপির মাধ্যমে কিছু করার চেষ্টা করছে, যা জনগণ প্রতিহত করবে।”

নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মির্জা আব্বাস বলেন, তিনি চান নির্বাচন যেন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়। তবে কিছু দলের বক্তব্য এবং সরকারি মহলের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে, “সামথিং ইজ রং, ডাল মে কুছ কালা হ্যায়।” তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, বাংলাদেশের জনগণ সর্বদা সচেতন এবং প্রতিবাদী।