পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদী থেকে সাহাবুল প্রামাণিক (৪২) নামে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে পদ্মা নদী থেকে গুলিবিদ্ধ দুইজনের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিহত সাহাবুল ঈশ্বরদী পৌর এলাকার সাঁড়া গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
মঙ্গলবার সকালে পদ্মা নদীর রাইটার চর এলাকায় একটি মাছ ধরার নৌকার ভেতরে সাহাবুলের রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত পৌনে ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে ৫-৬ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে চরাঞ্চলে এসে নদীর তীরে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এ সময় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত একটি মাছ ধরার নৌকায় সাহাবুল ও তার সহযোগী রবিউল ইসলাম অবস্থান করছিলেন। গুলিতে সাহাবুল গুরুতর আহত হন এবং তার ডান কাঁধের ওপরের অংশে গুলি লাগে ও শরীরের সামনের অংশে মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি হয়। একই ঘটনায় রবিউল ইসলাম আহত হন এবং প্রাণ বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ দেন।
ঈশ্বরদীর লক্ষীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার শফিকুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পর লাশটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রবিউল ইসলামকে ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে। নৌ পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন জানিয়েছেন, পদ্মা নদীর বালুমহল দখল ও নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে প্রায়ই এ ধরনের গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নৌ পুলিশের টহল ও নজরদারি বাড়ানো হলেও অপরাধীরা নানা কৌশলে এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, এর আগেও পদ্মার চরে একটি স্পিডবোটের ভেতর থেকে আজিজুল হক ঝড়ু (৩৫) নামে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 


















