ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ফেনীর উন্নয়নে মেডিকেল কলেজ ও ইপিজেড প্রতিষ্ঠার আশ্বাস তারেক রহমানের, ধানের শীষে ভোট চাইলেন

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ফেনীতে একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রোববার সন্ধ্যায় ফেনী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে দলের এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আশ্বাস দেন। একইসঙ্গে তিনি আগামী ১২ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের বিজয়ী করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

বক্তব্যের শুরুতে তারেক রহমান ফেনীর সঙ্গে তার আত্মীয়তার সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, বিএনপি আপনাদের চাওয়া পূরণে কাজ করবে, বিনিময়ে আমাদের দাবি ধানের শীষে ভোট দিয়ে প্রার্থীদের বিজয়ী করা। তিনি স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ফেনীতে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের অঙ্গীকার করেন। এছাড়া, ইপিজেড প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপি জনগণের সরকার গঠন করতে চায় এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়েই সবার জন্য কাজ করতে আগ্রহী। তিনি ঘোষণা দেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও দুর্নীতিরোধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

বিএনপি চেয়ারম্যান বিগত সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, তথাকথিত নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার তথা রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, যারা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজপথে নেমে এসে জীবন দিয়েছেন বা নির্যাতিত হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজকের এই সমাবেশ সম্ভব হয়েছে। তারেক রহমান আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে একাত্তরের স্বাধীনতা রক্ষা করেছিল, সেই ধারাতেই তারা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৭ বছরে ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরসহ সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মী এবং ভিন্নমতের বহু মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, অসংখ্য নেতাকর্মী নির্যাতিত ও পঙ্গুত্ববরণ করেছেন।

তারেক রহমান উপস্থিত বয়োজ্যেষ্ঠদের উদ্দেশে বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ে কীভাবে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সময়ে কীভাবে সংসদীয় গণতন্ত্রের ভিত্তি রচিত হয়েছিল, তা আপনারা কালের সাক্ষী। তিনি তথাকথিত উন্নয়নের নামে দেশ থেকে জনগণের অর্থ লুটপাটের তীব্র নিন্দা জানান এবং এই অবস্থার পরিবর্তন আনার অঙ্গীকার করেন।

কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, যদি আগামী ১২ তারিখে আপনারা ধানের শীষকে জয়যুক্ত করেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ আমরা সারা বাংলাদেশের কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে পারব। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, কয়েক বছর আগে কিভাবে অপর পাশ থেকে পানি ছেড়ে দেওয়ায় ফেনী বন্যায় ডুবেছিল। এ প্রসঙ্গে তিনি তার স্লোগান ‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ। সবার আগে বাংলাদেশ’ পুনর্ব্যক্ত করেন।

শুধু কৃষিই নয়, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থানসহ সব খাতে পরিবর্তন আনতে বিএনপির সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি এখন সবাইকে নিয়ে দেশ পুনর্গঠনের কাজ করতে চায়। এক্ষেত্রে তিনি দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে সব পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, বিএনপি এর আগেও পাঁচবার ক্ষমতায় ছিল এবং সেসময় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কিভাবে কাজ হয়েছে, তা জনগণ প্রত্যক্ষ করেছে।

তারেক রহমান আবারও অভিযোগ করেন, গত ১৫-১৬ বছরে একের পর এক নির্বাচনে কীভাবে ব্যালট বক্স ছিনতাই হয়েছে, আমি-ডামির নির্বাচন হয়েছে এবং নিশি রাতের নির্বাচন হয়েছে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি ষড়যন্ত্রকারী ও যারা জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার চেষ্টা করছে, তাদের সম্পর্কে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান। বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, লক্ষ লক্ষ জনতা এবং সারা বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষই বিএনপির রাজনীতির মূল শক্তির উৎস।

তারেক রহমান বলেন, আমরা দেখেছি গত ১৫-১৬ বছর কীভাবে বাংলাদেশকে অন্য দেশের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। এজন্যই আমি বলেছি, ‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, অন্যদেশ নয়, সবার আগে বাংলাদেশ’। তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার যখন মানুষের ঘাড়ে চড়ে বসেছিল, তখন আমি বলেছিলাম ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’। আমরা ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’ এর অর্ধেক পথে এসেছি। আমরা স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছি, গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু করেছি। আগামী ১২ তারিখে ধানের শীষকে নির্বাচিত করার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের এই যাত্রা পূর্ণতা পাবে।

বিএনপি চেয়ারম্যান ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের কথা উল্লেখ করে বলেন, চা শ্রমিকসহ দেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী এই কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা পাবে। তিনি উন্নয়ন, গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসনের জন্য ধানের শীষে ভোট চান। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশে একটি পরিবর্তন এসেছে এবং এখন সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ একটি পরিবর্তন চায়। মানুষ তাদের সমস্যার সমাধান, চলাফেরায় নিরাপত্তা, দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ এবং তরুণ ও যুব সমাজের বেকার সমস্যার সমাধান চায়।

‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ধানের শীষকে যতবার নির্বাচিত করা হয়েছে, ততবার দেশে উন্নয়ন হয়েছে এবং মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। তিনি বৃহত্তর ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের ১৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদের জন্য ভোট চান। একইসাথে তিনি দেশের সকল পরিচিতি ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছে আগামী ১২ তারিখে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান, যাতে বিএনপির পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করা যায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি: নেতানিয়াহু, পুতিন ও ট্রাম্পকে ‘শিকারি’ আখ্যা অ্যামনেস্টি’র

ফেনীর উন্নয়নে মেডিকেল কলেজ ও ইপিজেড প্রতিষ্ঠার আশ্বাস তারেক রহমানের, ধানের শীষে ভোট চাইলেন

আপডেট সময় : ১০:৪৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ফেনীতে একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রোববার সন্ধ্যায় ফেনী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে দলের এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আশ্বাস দেন। একইসঙ্গে তিনি আগামী ১২ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের বিজয়ী করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

বক্তব্যের শুরুতে তারেক রহমান ফেনীর সঙ্গে তার আত্মীয়তার সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, বিএনপি আপনাদের চাওয়া পূরণে কাজ করবে, বিনিময়ে আমাদের দাবি ধানের শীষে ভোট দিয়ে প্রার্থীদের বিজয়ী করা। তিনি স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ফেনীতে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের অঙ্গীকার করেন। এছাড়া, ইপিজেড প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপি জনগণের সরকার গঠন করতে চায় এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়েই সবার জন্য কাজ করতে আগ্রহী। তিনি ঘোষণা দেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও দুর্নীতিরোধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

বিএনপি চেয়ারম্যান বিগত সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, তথাকথিত নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার তথা রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, যারা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজপথে নেমে এসে জীবন দিয়েছেন বা নির্যাতিত হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজকের এই সমাবেশ সম্ভব হয়েছে। তারেক রহমান আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে একাত্তরের স্বাধীনতা রক্ষা করেছিল, সেই ধারাতেই তারা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৭ বছরে ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরসহ সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মী এবং ভিন্নমতের বহু মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, অসংখ্য নেতাকর্মী নির্যাতিত ও পঙ্গুত্ববরণ করেছেন।

তারেক রহমান উপস্থিত বয়োজ্যেষ্ঠদের উদ্দেশে বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ে কীভাবে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সময়ে কীভাবে সংসদীয় গণতন্ত্রের ভিত্তি রচিত হয়েছিল, তা আপনারা কালের সাক্ষী। তিনি তথাকথিত উন্নয়নের নামে দেশ থেকে জনগণের অর্থ লুটপাটের তীব্র নিন্দা জানান এবং এই অবস্থার পরিবর্তন আনার অঙ্গীকার করেন।

কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, যদি আগামী ১২ তারিখে আপনারা ধানের শীষকে জয়যুক্ত করেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ আমরা সারা বাংলাদেশের কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে পারব। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, কয়েক বছর আগে কিভাবে অপর পাশ থেকে পানি ছেড়ে দেওয়ায় ফেনী বন্যায় ডুবেছিল। এ প্রসঙ্গে তিনি তার স্লোগান ‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ। সবার আগে বাংলাদেশ’ পুনর্ব্যক্ত করেন।

শুধু কৃষিই নয়, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থানসহ সব খাতে পরিবর্তন আনতে বিএনপির সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি এখন সবাইকে নিয়ে দেশ পুনর্গঠনের কাজ করতে চায়। এক্ষেত্রে তিনি দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে সব পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, বিএনপি এর আগেও পাঁচবার ক্ষমতায় ছিল এবং সেসময় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কিভাবে কাজ হয়েছে, তা জনগণ প্রত্যক্ষ করেছে।

তারেক রহমান আবারও অভিযোগ করেন, গত ১৫-১৬ বছরে একের পর এক নির্বাচনে কীভাবে ব্যালট বক্স ছিনতাই হয়েছে, আমি-ডামির নির্বাচন হয়েছে এবং নিশি রাতের নির্বাচন হয়েছে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি ষড়যন্ত্রকারী ও যারা জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার চেষ্টা করছে, তাদের সম্পর্কে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান। বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, লক্ষ লক্ষ জনতা এবং সারা বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষই বিএনপির রাজনীতির মূল শক্তির উৎস।

তারেক রহমান বলেন, আমরা দেখেছি গত ১৫-১৬ বছর কীভাবে বাংলাদেশকে অন্য দেশের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। এজন্যই আমি বলেছি, ‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, অন্যদেশ নয়, সবার আগে বাংলাদেশ’। তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার যখন মানুষের ঘাড়ে চড়ে বসেছিল, তখন আমি বলেছিলাম ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’। আমরা ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’ এর অর্ধেক পথে এসেছি। আমরা স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছি, গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু করেছি। আগামী ১২ তারিখে ধানের শীষকে নির্বাচিত করার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের এই যাত্রা পূর্ণতা পাবে।

বিএনপি চেয়ারম্যান ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের কথা উল্লেখ করে বলেন, চা শ্রমিকসহ দেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী এই কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা পাবে। তিনি উন্নয়ন, গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসনের জন্য ধানের শীষে ভোট চান। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশে একটি পরিবর্তন এসেছে এবং এখন সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ একটি পরিবর্তন চায়। মানুষ তাদের সমস্যার সমাধান, চলাফেরায় নিরাপত্তা, দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ এবং তরুণ ও যুব সমাজের বেকার সমস্যার সমাধান চায়।

‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ধানের শীষকে যতবার নির্বাচিত করা হয়েছে, ততবার দেশে উন্নয়ন হয়েছে এবং মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। তিনি বৃহত্তর ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের ১৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদের জন্য ভোট চান। একইসাথে তিনি দেশের সকল পরিচিতি ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছে আগামী ১২ তারিখে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান, যাতে বিএনপির পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করা যায়।