ঢাকা-১৬ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমিনুল হক যশোরে কারাবন্দি এক ছাত্রলীগ কর্মীর স্ত্রী ও সন্তানের আত্মহত্যার ঘটনায় গভীর মর্মাহত ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, কোনো অমানবিক রাষ্ট্র নয়, তিনি একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চান। আজ সকালে পল্লবীর বাউনিয়াবাদ ‘সি’ ব্লক এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার চতুর্থ দিনে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আমিনুল হক বলেন, অতীতেও আমরা দেখেছি, অনেকের বাবা-মা মারা গেলেও তাদের প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়নি। যশোরের এই মর্মান্তিক ঘটনা আমাদের গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি আমরা চাই না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবার আগে মানুষ এবং সবার আগে আমার বাংলাদেশ – এই নীতি মনে রাখতে হবে।
গণসংযোগকালে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন আমিনুল হক এবং ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন। এ সময় তিনি এই এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের উচ্ছেদ আতঙ্ক দূর করতে স্থায়ী আবাসনের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, আমার পরিকল্পনার শীর্ষে রয়েছে এই অবহেলিত মানুষের জন্য নিরাপদ ও স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা এবং তাদের সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা।
এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ইতিমধ্যে কথা বলেছেন জানিয়ে আমিনুল হক বলেন, নির্বাচিত হলে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে। এছাড়াও, অর্থের অভাবে কেউ যেন শিক্ষা ও চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেজন্য প্রতিটি ঘরে বিনামূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।
এলাকায় মাদক ও কিশোর গ্যাং সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে আমিনুল হক বলেন, একটি সুশৃঙ্খল ও শান্তিময় পল্লবী-রূপনগর গড়তে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। গণসংযোগকালে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষ তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 
























