ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, জামায়াতে ইসলামী এবং ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) মিলে একটি অঘোষিত ‘সরকারি দল’ হিসেবে কাজ করছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী জিএম কাদের।
গতকাল সন্ধ্যায় রংপুরে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, যেহেতু এনসিপি নিজেদের বর্তমান সরকারের ‘নিয়োগকর্তা’ দাবি করে এবং জামায়াতকে তাদের অভিভাবক মনে করা হয়, সেহেতু এই ত্রয়ী শক্তির অধীনে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হওয়া অসম্ভব। জিএম কাদেরের মতে, এই সমন্বিত শক্তিই এখন ‘সরকারি দল’ হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা করছে, যা লেভেল প্লেইং ফিল্ড নষ্ট করছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের বিভিন্ন স্থানে হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং পুরনো মামলায় নতুন করে গ্রেফতার করে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার চেষ্টা চলছে। জিএম কাদের দাবি করেন, সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে রাষ্ট্রীয় অর্থ ও প্রশাসন ব্যবহার করে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করছে। তার আশঙ্কা, গণভোটের ফলাফল কারচুপির মাধ্যমে নিজেদের পক্ষে নিয়ে সরকার একটি ‘প্যারালাল’ বা সমান্তরাল বিপ্লবী সরকার গঠনের চেষ্টা করবে, যা সংসদকে তাদের আজ্ঞাবহ করতে বাধ্য করবে। এই অগণতান্ত্রিক পরিস্থিতির কারণে তিনি গণভোট ও নির্বাচনের সম্ভাব্য ফলাফল আগেভাগেই প্রত্যাখ্যান করার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান স্পষ্ট করে বলেন, তাদের দলকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ বলে অন্যায়ভাবে অত্যাচার করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমাদের অন্তত নির্বাচনটা করতে দিন। নেতাকর্মীদের জামিন হওয়ার পর পুরনো মামলায় আর গ্রেফতার করবেন না।” তিনি মনে করেন, বর্তমান সরকার ও তাদের মিত্র দলগুলো মিলে নির্বাচন ব্যবস্থাকে
রিপোর্টারের নাম 























