তীব্র শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গার জনজীবন। মাঘ মাসের মাঝামাঝি সময়ে এসে হঠাৎ করেই জেঁকে বসেছে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগে ফেলেছে। বিশেষ করে গত রাত থেকে শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে।
উত্তরের হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে পুরো জেলা। এমন বৈরী আবহাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দৈনন্দিন স্বাভাবিক কার্যক্রম। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ। ভোর থেকে তাদের কাজের সন্ধানে বের হতে হচ্ছে কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করে। শীত নিবারণের জন্য বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে ও চায়ের দোকানের সামনে খড়কুটো জ্বালিয়ে উত্তাপ নিতে দেখা গেছে অনেককে।
ঠান্ডার প্রকোপ বাড়ায় হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডা জনিত রোগীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বয়স্ক ও শিশুরা নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এবং শ্বাসকষ্টের মতো বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, শনিবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ। এর আগে সকাল ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সে সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ। তিনি আরও জানান, আগামী কয়েকদিন শীতের তীব্রতা এমনই থাকতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 























