ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি পাচার রোধে জলসীমায় কোস্টগার্ডের কড়া নজরদারি

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ থেকে পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারে তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাচারের আশঙ্কা থেকে উপকূলীয় ও সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। অসাধু চক্রের তৎপরতা রুখতে বিশেষ করে জলসীমান্ত ও নৌপথগুলোতে বাহিনীর টহল কার্যক্রম কয়েকগুণ বাড়ানো হয়েছে।

শনিবার কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে সীমান্ত ও নৌপথ ব্যবহার করে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল ও নিত্যপণ্য পাচারের একটি ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এই অপতৎপরতা বন্ধে উপকূলীয় অঞ্চল এবং সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় দিন-রাত নিরবচ্ছিন্ন টহল পরিচালনা করছে কোস্টগার্ড। দেশের সম্পদ রক্ষায় বাহিনীর প্রতিটি ইউনিটকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকার সাধারণ মানুষকে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। কোনো ধরনের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড বা পাচারের তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে কোস্টগার্ডের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ যোগাযোগ করে তথ্য প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এই নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট, খুচরা বাজারে লিটার ২০০ টাকা

জ্বালানি পাচার রোধে জলসীমায় কোস্টগার্ডের কড়া নজরদারি

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ থেকে পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারে তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাচারের আশঙ্কা থেকে উপকূলীয় ও সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। অসাধু চক্রের তৎপরতা রুখতে বিশেষ করে জলসীমান্ত ও নৌপথগুলোতে বাহিনীর টহল কার্যক্রম কয়েকগুণ বাড়ানো হয়েছে।

শনিবার কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে সীমান্ত ও নৌপথ ব্যবহার করে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল ও নিত্যপণ্য পাচারের একটি ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এই অপতৎপরতা বন্ধে উপকূলীয় অঞ্চল এবং সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় দিন-রাত নিরবচ্ছিন্ন টহল পরিচালনা করছে কোস্টগার্ড। দেশের সম্পদ রক্ষায় বাহিনীর প্রতিটি ইউনিটকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকার সাধারণ মানুষকে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। কোনো ধরনের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড বা পাচারের তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে কোস্টগার্ডের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ যোগাযোগ করে তথ্য প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এই নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড।