ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

পারস্য উপসাগরে মার্কিন রণতরি ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার পারদ আরও চড়িয়ে এবার সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে, পারস্য উপসাগরের জলসীমায় কোনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজ প্রবেশ করলে সেটিকে তাৎক্ষণিক লক্ষ্যবস্তু করা হবে এবং ডুবিয়ে সমুদ্রের তলদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

ইরানের একজন সামরিক মুখপাত্র এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যেকোনো সম্ভাব্য হামলার পাল্টা জবাব দিতে ইরান পুরোপুরি প্রস্তুত। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকে তারা কোনোভাবেই বরদাশত করবেন না। যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা হলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ।

এই কড়া বার্তাটি এমন এক সময়ে এল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দিতে মার্কিন নৌবাহিনী বিশেষ প্রহরা দেবে। ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর থেকেই ওই অঞ্চলে নতুন করে অস্থিরতা শুরু হয়েছে।

এর আগেও ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ‘ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর’ (আইআরজিসি) একই ধরনের সতর্কবার্তা দিয়েছিল। তারা জানিয়েছিল, এই জলপথ দিয়ে চলাচলকারী মার্কিন বা তাদের মিত্র দেশগুলোর জাহাজগুলো ইরানি বাহিনীর নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে। তেহরানের এই সাম্প্রতিক অবস্থান এবং পাল্টাপাল্টি হুমকির ফলে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে এখন চরম যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে বিশ্বশক্তির এই সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টঙ্গীতে ট্যাম্পাকো ফয়েলস কারখানায় আগুন, চার শ্রমিক অসুস্থ

পারস্য উপসাগরে মার্কিন রণতরি ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

আপডেট সময় : ১০:২৩:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার পারদ আরও চড়িয়ে এবার সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে, পারস্য উপসাগরের জলসীমায় কোনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজ প্রবেশ করলে সেটিকে তাৎক্ষণিক লক্ষ্যবস্তু করা হবে এবং ডুবিয়ে সমুদ্রের তলদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

ইরানের একজন সামরিক মুখপাত্র এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যেকোনো সম্ভাব্য হামলার পাল্টা জবাব দিতে ইরান পুরোপুরি প্রস্তুত। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকে তারা কোনোভাবেই বরদাশত করবেন না। যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা হলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ।

এই কড়া বার্তাটি এমন এক সময়ে এল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দিতে মার্কিন নৌবাহিনী বিশেষ প্রহরা দেবে। ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর থেকেই ওই অঞ্চলে নতুন করে অস্থিরতা শুরু হয়েছে।

এর আগেও ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ‘ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর’ (আইআরজিসি) একই ধরনের সতর্কবার্তা দিয়েছিল। তারা জানিয়েছিল, এই জলপথ দিয়ে চলাচলকারী মার্কিন বা তাদের মিত্র দেশগুলোর জাহাজগুলো ইরানি বাহিনীর নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে। তেহরানের এই সাম্প্রতিক অবস্থান এবং পাল্টাপাল্টি হুমকির ফলে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে এখন চরম যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে বিশ্বশক্তির এই সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।