১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রচারণার শুরুতেই দেশের বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক সহিংসতা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বরিশাল, কুমিল্লা, মুন্সিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জে পৃথক হামলা ও সংঘর্ষে অন্তত অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন স্থানে টহল জোরদার করেছে এবং নির্বাচন কমিশন একটি সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বজায় রাখতে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আবদুস সোবহানের নির্বাচনী প্রচারণায় দুই দফায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার নলছিড়া ও সরিকল বন্দরে প্রচারণা চালানোর সময় তাঁর কর্মীদের মারধর এবং মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। একইভাবে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সামিরা আজিম দোলার প্রচারণায় হামলা চালিয়েছে প্রতিপক্ষ প্রার্থীর সমর্থকরা। মনোহরগঞ্জের রাজাপুর বাজারে এই হামলায় দোলার বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এদিকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় নির্বাচনী মিছিল চলাকালে স্বতন্ত্র ও বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিনজন আহত হন। অন্যদিকে সবচেয়ে বড় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম থেকে। সেখানে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় কেবল চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে দলটির নিজস্ব নেতাকর্মী ও যুবদলের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। প্রতিটি ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























