বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড় নিয়ে এবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি ঐক্যে যোগ দিচ্ছে ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি। এর ফলে ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য এখন ১১ দলে রূপ নিতে যাচ্ছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক আনুষ্ঠানিক বৈঠকের মাধ্যমে এই নতুন রাজনৈতিক মোর্চার যাত্রা শুরু হবে। লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. ইরান এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, দেশের বর্তমান নির্বাচনি পরিস্থিতিতে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তাঁরা তাঁদের পুরোনো মিত্র জামায়াতের সঙ্গে একাত্ম হয়েছেন।
লেবার পার্টি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক ছিল। তবে আসন্ন ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো আসন না পাওয়ায় গত ৪ নভেম্বর দলটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন ডা. ইরান। তিনি নিজে ঢাকা-১২ ও ঝালকাঠি-১ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও গত ২০ জানুয়ারি তা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তবে সারা দেশে লেবার পার্টির ১৫ জন প্রার্থী বর্তমানে আনারস প্রতীকে নির্বাচনি লড়াইয়ে রয়েছেন। জামায়াতের এই নতুন জোটে লেবার পার্টির প্রার্থীরা কোনো আসন পাবেন কি না—এমন প্রশ্নে ডা. ইরান স্পষ্ট করেন যে, যেহেতু সময় পার হয়ে গেছে, তাই আসন ভাগাভাগির চেয়ে আদর্শিক ঐক্যই এখন বড় বিষয়।
এদিকে জামায়াত শিবিরের বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, মাহমুদুর রহমান মান্নার ‘নাগরিক ঐক্য’ এবং আ স ম আবদুর রবের ‘জেএসডি’ এই নির্বাচনি ঐক্যে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে আসন বণ্টনের সময়সীমা শেষ হওয়ায় তাঁদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা কাজ করছে। নাগরিক ঐক্যের প্রধান মাহমুদুর রহমান মান্না এখনই যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দিলেও জানিয়েছেন, উপযুক্ত প্রস্তাব পেলে বিষয়টি ভেবে দেখা হবে। জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানও স্বীকার করেছেন যে, অনেক দলই তাঁদের জোটে আসতে আগ্রহী, তবে বর্তমানে কাউকে নতুন করে আসন ছাড় দেওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই।
রিপোর্টারের নাম 
























