বিপিএলের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। তানজিদ হাসান তামিমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রান সংগ্রহ করে রাজশাহী। এই ইনিংসে চট্টগ্রামের পেসার শরিফুল ইসলাম গড়েন বিপিএলের এক আসরে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের নতুন রেকর্ড।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই সতর্ক ছিলেন রাজশাহীর ব্যাটসম্যানরা। তবে এক প্রান্তে ইনিংসের হাল ধরে রাখেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। নিজের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি এবং বিপিএল ফাইনালের ইতিহাসে তৃতীয় শতক হাঁকিয়ে তিনি একাই দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নেন। ৬২ বলের ঝলমলে ইনিংসে ৬টি চার ও ৭টি ছক্কার সাহায্যে ঠিক ১০০ রান করে অপরাজিত থাকেন তামিম।
তবে তামিম ছাড়া রাজশাহীর অন্য কোনো ব্যাটসম্যান বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। সাহিবজাদা ফারহান ৩০ বলে ৩০ রান করে আউট হন। কেন উইলিয়ামসন ১৫ বলে ২৪ রান করে কিছুটা দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। বাকি ব্যাটসম্যানরাও দ্রুত বিদায় নেন।
চট্টগ্রাম রয়্যালসের পক্ষে বল হাতে দারুণ সফল ছিলেন মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও শরিফুল ইসলাম। দুজনেই ২টি করে উইকেট শিকার করেন। এর মধ্যে শরিফুল ইসলাম তার শেষ ওভারে এসে একটি নতুন ইতিহাস রচনা করেন। ইনিংসের শেষ বলে নাজমুল হোসেন শান্তকে আউট করার মধ্য দিয়ে এবারের বিপিএলে তার উইকেট সংখ্যা দাঁড়ায় ২৬-এ। মাত্র ১২ ম্যাচে এই রেকর্ড গড়ে তিনি ভেঙে দেন গত আসরে তাসকিন আহমেদের ২৫ উইকেট শিকারের রেকর্ড। এই আসরে শরিফুলের সেরা বোলিং পরিসংখ্যান ছিল ৯ রানে ৫ উইকেট।
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রান সংগ্রহ করে। ফলে শিরোপা জিততে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ১৭৫ রানের কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।
রিপোর্টারের নাম 























