সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. শিশির মনির এক ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক সংস্কৃতির বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, তিনি বিজয়ী প্রতিদ্বন্দ্বীর বাড়িতে একটি বড় ফুলের তোড়া নিয়ে যাবেন। একই প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তারাও একইভাবে জয়-পরাজয় নির্বিশেষে একে অপরের পাশে দাঁড়ান।
বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হওয়ার পর গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে শিশির মনির এই মন্তব্য করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে যিনিই বিজয়ী হবেন, তাকে তিনি আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাবেন। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার এখনই সময়। অন্যথায়, পুরনো ধারার রাজনীতিই চলতে থাকবে, যা দেশের জন্য কোনো সুফল বয়ে আনবে না।
শিশির মনির আরও বলেন, “আমি হেরে গেলেও বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। একইভাবে, আমি জিতলেও অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করতে আমি প্রস্তুত। জনগণ যে রায় দেবে, আমরা তা সানন্দে গ্রহণ করব।”
তিনি বলেন, দেশের জন্য যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মার শান্তির জন্যও একটি সুস্থ ও সুশীল রাজনৈতিক পরিবেশ অপরিহার্য। তিনি নির্বাচনী রাজনীতিতে কাদা ছোড়াছুড়ি এবং অহেতুক বিবাদ পরিহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনে মোট ২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। পাঁচটি আসনে ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, ঈগল, হাতপাখাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে তাদের নিজ নিজ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতীক বরাদ্দের সময় কিছু প্রার্থী আচরণবিধি প্রতিপালন এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে অভিযোগ তুললেও, রিটার্নিং কর্মকর্তা সকলকে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























