ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

মাদরাসা শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া: সফটওয়্যার উন্নয়ন কাজের জন্য আবেদন স্থগিত

বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদরাসা শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের কাজ শুরু হলেও বর্তমানে তা প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যারটির উন্নয়নের কাজ চলায় বর্তমানে এর লিংক সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। সোমবার এক দাপ্তরিক নোটিশের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের বদলির জন্য ইতোমধ্যে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। সফটওয়্যার আপডেট এবং যাবতীয় কারিগরি কাজ শেষ হওয়ার পর পুনরায় নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হবে। মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত নির্দেশনা পাওয়ার পরই শিক্ষকরা নিয়মানুযায়ী বদলির আবেদন করতে পারবেন।

বর্তমানে দেশে আট হাজারেরও বেশি এমপিওভুক্ত মাদরাসা রয়েছে, যেখানে দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার শিক্ষক ও কর্মচারী কর্মরত আছেন। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই বদলি প্রক্রিয়া চালু হলে শিক্ষকদের কর্মস্থলে যাতায়াতের ভোগান্তি লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নোয়াখালীর প্রবাসীর মৃত্যু, আহত ২

মাদরাসা শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া: সফটওয়্যার উন্নয়ন কাজের জন্য আবেদন স্থগিত

আপডেট সময় : ১০:২০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদরাসা শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের কাজ শুরু হলেও বর্তমানে তা প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যারটির উন্নয়নের কাজ চলায় বর্তমানে এর লিংক সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। সোমবার এক দাপ্তরিক নোটিশের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের বদলির জন্য ইতোমধ্যে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। সফটওয়্যার আপডেট এবং যাবতীয় কারিগরি কাজ শেষ হওয়ার পর পুনরায় নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হবে। মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত নির্দেশনা পাওয়ার পরই শিক্ষকরা নিয়মানুযায়ী বদলির আবেদন করতে পারবেন।

বর্তমানে দেশে আট হাজারেরও বেশি এমপিওভুক্ত মাদরাসা রয়েছে, যেখানে দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার শিক্ষক ও কর্মচারী কর্মরত আছেন। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই বদলি প্রক্রিয়া চালু হলে শিক্ষকদের কর্মস্থলে যাতায়াতের ভোগান্তি লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।